দশমিনায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু এখন মরনফাঁদ

image

দশমিনা (পটুয়াখালী) : উপজেলার দক্ষিন রণগোপালদী গ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল করছে স্কুলের শিক্ষার্থীরা-সংবাদ

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দশমিনা-আরজবেগী-সৈয়দজাফর সড়ক, বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের মাছুয়াখালী-নেহালগঞ্জ সড়ক এবং রণগোপালদী ইউনিয়নের যৌতা ও দক্ষিণ রণগোপালদী গ্রামের বেশ কয়েকটি সেতু এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

উপজেলা সদর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরত্বের এই গুরুত্বপূর্ণ বাজারটিতে এমন পুরাতন সেতু থাকায় জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু এর ওপর দিয়ে দিনে-রাতে ইট,বালু ভর্তি ট্রলি চলাচল করায় নড়েবড়ে হয়ে গেছে। ৪টি গ্রামের মানুষ ভাঙ্গা সেতু দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

উপজেলার একমাত্র অবহেলিত ও উপেক্ষিত জনপদ রনগোপালদী ইউনিয়নের গুলি আউলিয়াপুর ও যৌতা এবং সদর ইউনিয়নের আরজবেগী ও দক্ষিণ আরজবেগী গ্রামের কোন এলাকায় তেমন কোন উন্নতি হয়নি। এই বিষয়ে বিগত ২০১৮ইং সালের ৩১ মার্চ দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় ‘দশমিনায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু এখন মানুষের মরণফাঁদ’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশের পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন টনক নড়েনি।

জানা যায়, সদর ইউনিয়নের দশমিনা-সৈয়দজাফর-আরজবেগী সড়কের বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই সেতুটি অবস্থিত। আরজবেগী বাজারের পূর্ব-পশ্চিম-দক্ষিণ এই তিন দিকে একটি খাল বয়ে গেছে। এই খালটি আরজবেগী খাল নামে পরিচিত। দুই গ্রামের মাঝখানে খালের ওপর এই সেতুর অবস্থান। বাজারের সঙ্গেই উত্তর প্রান্তে একটি সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এই ২টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই জরাজীর্ণ সেতু। ভাঙ্গাচোরা সেতু দিয়ে প্রতিনিয়ত শতাধিক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী ছাড়াও এলাকার জনসাধারণ চলাচল করছে। সেতুটির ঠিক মধ্যে খানে গোল গর্ত হয়ে ভেঙ্গে গিয়ে নড়েবড়ে হয়ে গেছে। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হবার পরও সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই।