আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে টার্গেট করেছে জঙ্গিরা : আইজিপি

image

পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে টার্গেট করেছে জঙ্গিরা। শুধু বাংলাদেশেই নয় পার্শ্ববর্তী অনেক দেশেই জঙ্গিদের টার্গেট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে জঙ্গি হামলা ঠেকিয়ে এদের নির্মূলে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ১৫ মে বুধবার পুলিশ সদর দফতরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

অনুষ্ঠানে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (এইচআরএম) মো. শফিকুল ইসলাম, ডিআইজি (অপারেশন্স) ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, ডিআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড প্ল্যানিং) ওয়াই এম বেলালুর রহমান, এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড প্ল্যানিং) সোহেল রানা, পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড প্ল্যানিং) কামরুজ্জামান ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এ কে এম কামরুল আহসান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ক্র্যাবের পক্ষে ছিলেন সভাপতি আবুল খায়ের, সহ-সভাপতি মিজান মালিক, সাধারণ সম্পাদক দিপু সরোয়ার, অর্থ সম্পাদক দুলাল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ নিজাম, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক ইমরান হোসেন সুমন, কল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, দফতর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রাজি, কার্যনির্বাহী সদস্য মাসুদ আলম, শাহিন আবদুল বারী এবং সাইফ বাবলু।

পুলিশের আইজি বলেন, ‘পুরো বিশ্বে জঙ্গিরা এখন ‘লোন উলফ’ পদ্ধতিতে হামলা চালাচ্ছে। অর্থাৎ দলবদ্ধ হামলার চেয়ে একাকি হামলার প্রবণতা বাড়ছে। এই প্রবণতা রোধ করা প্রায় অসম্ভব।’ কেউ যদি আত্মঘাতী হয় তখন তাকে ঠেকানো দুস্কর। যত ইন্টেলিজেন্স থাকুক না কেন আত্মঘাতী হলে সেখানে কাজ করা কঠিন।

জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘জঙ্গিদের কর্মকা- নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব হয়নি। হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়। জঙ্গি বা সন্দেহভাজনদের নিয়ে মানুষ তথ্য দিলে ‘একাকি হামলা’র প্রবণতাও প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।’

তবে কারও কারও সঙ্গে আদর্শিক যোগাযোগ থাকতে পারে।’ আইএসের দাবি করা বাংলাদেশ শাখার খলিফা শায়খ আবু মুহাম্মদ আল-বাঙালির বিষয়ে আইজিপি বলেন, ‘গণমাধ্যমে আল বাঙালির বিষয়টি এসেছে। তার হুমকির বিষয়টিও গণমাধ্যম থেকেই আমরা জানতে পেরেছি।’