আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক হলেন ড. তাহমিদ

image

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সংস্থাটির আন্তর্জাতিক বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. তাহমিদ আহমেদ। আগামী বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। ২০১৩ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করে আসা অধ্যাপক ক্লেমেন্সের স্থলাভিষিক্ত হবেন ড. তাহমিদ আহমেদ।

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ডা. তাহমিদ বলেন, আইসিডিডিআর,বি’র প্রথম বাংলাদেশী নির্বাহী পরিচালক হওয়া নিঃসন্দেহে গৌরবের বিষয়। আইসিডিডিআর,বি একটি আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিল এবং থাকবে। আমি দেশি-বিদেশী ৪ হাজার জনেরও অধিক কর্মীর একটি দলকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানটিকে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে গর্বিত। যা আমাদের গবেষণার ব্যাপ্তিকে আরও বিস্তৃত করবে বলে আমি আশাবাদী।

নিয়োগ পাওয়ার পরে ড. আহমেদ কোভিড-১৯ বিষয়ে গবেষণাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, চলমান মহামারি জনস্বাস্থ্যকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিনিয়োগের অপরিসীম গুরুত্বকে বিশেষভাবে মনে করিয়ে দেয়।

ড. তাহমিদ আহমেদ তার গবেষণামূলক কাজ এবং শিশু অপুষ্টি রোধ ও এর সহজতর চিকিৎসা ব্যবস্থা সন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাম্বুলেটরি পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন, কমনওয়েলথ সোসাইটি ফর পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলোজি এন্ড নিউট্রিশন এবং ভারতীয় পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন জনস্বাস্থ্য সংস্থার পদক পেয়েছেন।

২০১৮ সালে ড. আহমেদ ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ডেভেলপমেন্ট ট্রান্সফর্মারস পুরুষ্কারের একজন বিজয়ী হিসেবে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক গ্রহণ করেন।

ড. তাহমিদ আহমেদ ১৯৮৫ সালে আইসিডিডিআর,বিতে যোগদান করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিভিন্ন দায়িত্বভার পালন করেছেন। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে আইসিডিডিআর,বি-র নিউট্রিশন ও ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর নিযুক্ত হন। কোভিড-১৯ মহামারির শুরু থেকে নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর জন ক্লেমেন্সের নির্দেশনায় ড. আহমেদ আইসিডিডিআর,বি’র ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক হিসেবে প্রতিষ্ঠানকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

আইসিডিডিআর,বি’র বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ন্যান্সি ওয়াই চেং বলেন, সহকর্মীদের মধ্যে ড. আহমেদ তার দৃঢ় নৈতিকতা এবং তরুণ বিজ্ঞানীদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের জন্য সমাদৃত। তিনি একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এবং বিশ্ব জনস্বাস্থ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে বেশ সম্মানিত।