কোষ্টগার্ডের হাতে জলদস্যু ফরিদ বাহিনীর প্রধান ফরিদ আটক

image

নোয়াখালির হাতিয়া থেকে দক্ষিনাঞ্চলের জলদস্যু ফরিদ বাহিনীর প্রধান জলদস্যু কমান্ডার ফরিদকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। ১৭ জুন সোমবার রাতে হাতিয়ার সোলেমান বাজারের একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীসহ উপকলীয় জেলায় মাছ ধরা ট্রলারে ডাকাতিসহ অপহরণ করে মুক্তিপন আদায়ের অভিযোগ রয়েছে ডাকাত ফরিদের বিরুদ্ধে।

কোস্ট গার্ড সদর দফতর সূত্র জানা, জলদস্যু কমান্ডার ফরিদ নোয়াখালী, ভোলা, লক্ষিপুরসহ উপকূলীয় জেলার মেঘনা, তেতুলিয়া ও সাগরে মাছ ধরা ট্রলারগুলোতে ডাকাতি করতো। ফরিদের নেতৃত্বে একাধিক ডাকাত দল ভাগ হয়ে এসব ডাকাতি করতো। তার নেতৃত্বে জেলে নৌকায় মাছ ও জালসহ ডাকাতি ছাড়াও জেলেদের অপহরণ করা হতো। গত কয়েকমাসে একাধিক জেলেকে অপহরণ করেছে ফরিদ বাহিনী। এছাড়া মাছসহ ট্রলার ও নৌকাও ডাকাতি করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নদীতে জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরী হয়।

কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, দক্ষিন জোনের কোস্টগার্ডের হাতিয়া স্টেশনের কমান্ডার লেঃ সাব্বিরের নেতৃত্বে একটি টহল দল ধারাবাহিক অভিযানের চেষ্ঠায় সোমবার রাতে হাতিয়ার সোলেমান বাজারের পাশে একটি বাড়ি থেকে জলদস্যু কমান্ডার ফরিদকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৩ টি একনলা বন্দুক, ১ টি রিভালভার, ৩ রাউন্ড গুলিসহ ধারালো অস্ত্রসন্ত্র উদ্ধার করেছে। এসব অস্ত্রের মুখে জিম্মী করে ফরিদ দলবল নিয়ে নদীতে ডাকাতি করতো। গ্রেফতারের পর তাকে স্থানীয় থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, জলদুস্য কমান্ডার ফরিদের নামে নোয়াখারীল হাতিয়া, সুবর্ণচর, নোয়াখালি সদর, লক্ষিপুর, রামগতি, আলেকজান্ডারসহ উপকূলীয় বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি, অপহরনের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। গত বছরের ৫ জানুয়ারী জলদুস্য কমান্ডার ফরিদের নেতৃত্বে র‌্যাবের ৪ সদস্যকে অপহরণ করে হত্যা চেষ্টা করা হয়েছিলো। ওই ঘটনা পর থেকে আত্মগোপনে থেকে নদীতে ডাকাতি করে যেতে ফরিদ বাহিনী।