গড়ে তুলেছেন শিশু স্বাস্থের অনেক চিকিৎসালয়

image

অধ্যাপক ডা. এম আর খান

ডা. এম আর খান ছিলেন বাংলাদেশের শিশু চিকিৎসার জনক জাতীয় অধ্যাপক। ২০১৬ সালের ৫ নভেম্বর সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯২৮ সালের ১ অগাস্ট সাতক্ষীরার শহরতলীর রসুলপুর গ্রামে এম আর খানের জন্ম। এম আর খান নামে তিনি সর্বাধিক পরিচিত হলেও তার পুরো নাম মো. রফি খান। শিশুরোগ চিকিৎসা ও সমাজ সেবার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে তিনি ভূষিত হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানতুল্য এই চিকিৎসক নিজ হাতে প্রতিষ্ঠা করেছেন অসংখ্য প্রতিষ্ঠান। নিজের পেনশনের টাকা দিয়ে গড়েন ডা. এম আর খান-আনোয়ারা ট্রাস্ট। দুস্থ মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, তাদের আর্থিক-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে এ ট্রাস্টের মাধ্যমে তিনি নিরন্তর কাজ করেছেন। তার উদ্যোগে গড়ে উঠেছে জাতীয় পর্যায়ের শিশুস্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠা করেছেন শিশুস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। গড়ে তুলেছেন সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতাল, যশোর শিশু হাসপাতাল, সাতক্ষীরা ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার, রসুলপুর উচ্চবিদ্যালয়, উত্তরা উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা সেন্ট্রাল হাসপাতাল, নিবেদিতা নার্সিং হোমসহ আরও বহু প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া তিনি দেশ থেকে পোলিও দূর করতে উদ্যোগী ভূমিকা রেখেছেন, কাজ করেছেন ধূমপানবিরোধী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠান ‘আধূনিক’-এর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে। ধানমন্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসভবনে নিজ চেম্বারে প্রতিষ্ঠা করেন নিবেদিতা মেডিকেল ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ লিমিটেড। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে তার ৩৭টি গবেষণাধর্মী রচনা প্রকাশিত হয়েছে। শিশুরোগ চিকিৎসা সংক্রান্ত সাতটি বই লিখেছেন, যেগুলো দেশে ও বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।