তেঁতুলিয়ার হুমকিতে ধুলিয়া আড়াই কিমি. মানববন্ধন

image

বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনের কবল থেকে ধুলিয়া ইউনিয়নকে রক্ষার দাবিতে ১১ অক্টোবর শুক্রবার লঞ্চ ঘাট থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে এ ইউনিয়নের কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশ নেয়। পরে লঞ্চ ঘাট এলাকায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে একই দাবিতে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কসহ ধুলিয়া এলাকার নদীর পাড়ে ৪ দফায় মানব বন্ধন হয়েছে। কিন্তু নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. মোফাজ্জেল হোসেন এতে বক্তব্য রাখেন ৭১ এর যুদ্ধকালীন কমান্ডার ও সাবেক জেলা কমান্ডার আবদুল বারেক হাওলাদার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচীব আ. রব খান, এলজিইডির সাবেক প্রকল্প পরিচালক এসএম, সেলিম, মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, জেলা পরিষদের সদস্য জহির উদ্দিন বাবর প্রমুখ।

৭১ এর যুদ্ধকালীন কমান্ডার ও সাবেক জেলা কমান্ডার আবদুল বারেক হাওলাদার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুতি জানিয়ে বলেন ৭১ সালে আপনার পিতার নিদের্শে যুদ্ধকরে দেশ স্বাধীন করেছি, তেতুঁলিয়া নদীর গ্রাস করেছে ২৭ জস মুক্তিযোদ্ধার কবর। তিনি ধুলিয়ার নদীর ভাঙ্গন রোধ না করলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তেতুঁলিয়া নদীতে আত্মাহতি দেয়ার ঘোষণা দেন।

এলজিইডির সাবেক প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এসএম সেলিম বলেন তেতুঁলিয়ার ভাঙ্গনে গত ৫ বছরে নতুন বাজার, ঘুচরাকাঠী ধুলিয়া বাজার ও লঞ্চঘাট, মঠবাড়িয়া গ্রামে ২ সতাদিক বাড়িঘড় ১০ হাজারের একরের ও বেশি ফসলি জমি মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধার সংগঠক ও সাবেক সংসদ সৈয়দ আশরাফ হোসেনের কবর। বক্তারা ভাঙ্গন প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।