বাউফলে হত্যা মামলায় সাংবাদিকের নাম প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

image

আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় খুন হওয়া যুবলীগ কর্মী তাপস হত্যা মামলায় আক্রোশ ও হয়রানিমূলকভাবে প্রথম আলোর বাউফল প্রতিনিধিকে আসামি করার অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদ ও মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা। বাউফল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে রোববার বেলা ১১ টার দিকে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মিজানের বাবা আবদুস ছালাম ও ছেলে আফফান উপস্থিত ছিলেন। মিজানুর বাউফল প্রেসক্লাবের সাবেক দুই বারের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কার্যকরী পরিষদের নির্বাহী সদস্য।

মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও জনকণ্ঠের কামরুজ্জামান বাচ্চু, সমকালের জিতেন্দ্র নাথ রায়, সংবাদের আল মামুন, মানবকণ্ঠের জসিম উদ্দিন, মিজানের বাবা আবদুস ছালাম প্রমুখ।

কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন, ঘটনার শুরুর দিকে মিজান ছিলেন না। আমিসহ কয়েকজনের ফোন পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। আমাদের সঙ্গে থেকেই পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন মিজান। অথচ তাকে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। আমি অনতিবিলম্বে হত্যা মামলা থেকে মিজানের নাম প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

মিজানের বাবা আবদুস ছালাম মিয়া বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশের জেরে আমার ছেলেকে বারবার মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এর আগেও চাঁদাবাজি, ছিনতাই, লুটপাট, মারামারি ও গণধর্ষণসহ ছয়টি মামলায় আসামি করা হয়। সব মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ঈদের আগের দিন ২৪ মে বাউফল পৌরসভার উদ্যোগে থানার পূর্ব পাশে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর সামনের সড়কের খালি জায়গায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাস্থ্য বিধি নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার স্থাপন করাকে কেন্দ্র কওে আওয়ামীলীগের দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মারামারি ঘটনায় যুবলীগকর্মী তাপস কুমার দাস খুন হয়।