মেয়ে হারনোর কষ্ট নিয়ে মর্গে তার মরদেহ কাটাছেড়া করতে দেখতে হয়েছে বাবকে!

image

ছুটির দিন পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটান আব্দুস সালাম। ছেলে-মেয়েদের নিয়ে সারা বাড়ি মাতিয়ে রাখেন। দুপুরে জুমার নামাজ শেষে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়াও করেন। মাগরিবের নামাজ শেষে সবার জন্য আনেন সন্ধ্যার নাশতা। কিন্তু ৫ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় সবার জন্য নাশতা নিয়ে এসে জানতে পারেন আদরের ছোট্ট সায়মাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রথমে স্বাভাবিক ভেবেই নাশতার প্যাকেট হাতে মেয়েকে খুঁজতে যান। আধাঘণ্টা ধরে খোঁজার পর ক্লান্ত হয়ে পড়েন বাবা আব্দুস সালাম। তবুও থেমে থাকেননি। আশপাশে খুঁজতে খুঁজতে ভবনের ৯ম তলায় গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে ছোট্ট সায়মার নিথর দেহ। ততোক্ষণে সব আশা শেষ। খবর পেয়ে পুলিশ আসে, সিআইডির ফরেনসিক টিম আলামত সংগ্রহ করে, ঘটনা তদন্তে ডিবি টিম পরিদর্শনে আসে। কিন্তু বাকরুদ্ধ হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন আব্দুস সালাম। নাশতার প্যাকেটটি তখনও ছিল তার হাতে। ৬ জুলাই শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের সামনে সায়মার বাবা আব্দুস সালাম ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে শিশু সামিয়া আফরিন সায়মার খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওয়ারীর বনগ্রাম সড়কের ১৩৯ নং নবনির্মিত ভবনটির নবম তলার ফাঁকা ফ্ল্যাটের ভেতরে সায়মাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। ভবনটির ছয়তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকত সায়মা। বাবা আব্দুস সালাম নবাবপুরে মেশিনারিজের ব্যবসা করেন। দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সায়মা। পড়তো ওয়ারী সিলভারডেল স্কুলের নার্সারিতে। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য সায়মার মরদেহ নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে। মেয়ের মরদেহ নিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে আসেন বাবা আব্দুস সালামও।

ঢামেক মর্গের সামনে সায়মার বাবা আব্দুস সালাম বলেন, বাবা হয়ে মেয়ের মরদেহ কাটাছেড়া করতে দেখতে হচ্ছে। বাবা হয়ে নিজের কাঁধে শিশুকন্যার মরদেহ উঠাতে হবে কখনোই ভাবিনি। এ ভার সইবার নয়। আব্দুস সালাম বলেন, আমার দুই মেয়ে ও দুই ছেলে। বড় ছেলে দেশের বাইরে থাকে। বড় মেয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে বাড়িতে আসার পর সায়মাকে পড়তে বসায়। ঘটনার দিনও আসরের পর পড়াশোনা শেষ করে মাগরিবের নামাজের সময় খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সায়মা।

তিনি বলেন, এ হত্যাকান্ড কোনো বাবাই সহ্য করতে পারবেন না। আমারও খুব কষ্ট হচ্ছে। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সব অভিভাবক ও গণমাধ্যমের ভূমিকা দরকার। আর কোনো শিশুর যেন এমন ঘটনার শিকার হতে না হয়।

লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে হাঁসের খামার

image

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছানা মিয়া বিনা চিকিৎসায় শয্যাশায়ী

image

কুষ্টিয়ায় চুক্তি লঙ্ঘনে কালো তালিকাভুক্ত হচ্ছে ২৬১ চালকল

চালকল মালিকদের অসহযোগিতার কারণে কুষ্টিয়ায় বোরো মৌসুমে সরকারের চাল সংগ্রহ অভিযানের লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃদ্ধের রহস্য মৃত্যু, বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ শহরের যানজট নিরসনে পরিকল্পিত উদ্যোগ

কিশোরগঞ্জ শহরকে যানজটমুক্ত করতে পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারিত ৬শ’ ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা চলাচল করবে হলুদ রঙে সেজে নির্দিষ্ট সিরিয়াল নম্বর ও স্টিকার বহন করে।

কক্সবাজার পর্যটন কেন্দ্র উন্মুক্ত করায় বাড়ছে করোনা

image

সাংবাদিক মাকসুদুল আলম মারা গেছেন

image

প্রতিবন্ধি ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

image

ধর্ষন মামলায় ছাত্রলীগ ক্যাডার সাইফুর ও অর্জুন রিমান্ডে

image