সংস্কারের অভাবে সড়কটি গর্তভূমিতে পরিনত হয়েছে!

image

বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী) : বড়পোল-পাকমুন্সিরহাট বেহাল সড়ক-সংবাদ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার বড়পোল-পাকমুন্সিরহাট সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ওই সড়কে যাতায়াতকারী ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। প্রতিদিন ওই সড়ক দিয়ে শতশত যানবাহন চলাচল করে। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার জমিদার হাট এলাকার বড়পোল থেকে পাকমুন্সির হাট পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার করা হয়নি।

ফলে সড়কটির অধিকাংশ স্থানে কার্পেটিং, ইট, সুরকি উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় একেবারে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন লতিফপুর, রফিকপুর, ইয়ারপুর, ঘাটলা, কাদিরপুর, গয়েছপুর, বাবুনগর, বড় খানপুর, জয়কৃঞ্চপুর, অনন্তপুরসহ এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। ওই সড়ক দিয়েই উপজেলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড়বাজার হোরনবিবি ও পাকমুন্সির হাটে যেতে হয়। সড়কটির বিভিন্নস্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে যায়। ফলে সড়কটি দিয়ে যানবাহনগুলো মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এতে প্রায় ঘটছে দূর্ঘটনা। নিয়মিত এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী গৃহিনী সুফিয়া খাতুন বলেন, কেউ অসুস্থ হলে তাকে এম্বুলেন্সে করে নেয়ার কোন সুযোগ নেই। কোন অ্যাম্বুলেন্স মালিক বা ড্রাইভার এই সড়ক দিয়ে আসতে চায়না। সিএনজি অটোরিকশার ড্রাইভার আবদুর রহিম জানান, এই সড়ক দিয়ে গাড়ি চালাতে অনেক কষ্ট হয় এবং শরীর ব্যথা হয়ে যায়। গাড়ির নাট বল্টু খুলে যায়। মেরামত করতে টাকা খরচ হয়। তাছাড়া সড়কটির দু’পাশে রয়েছে স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। উক্ত সড়কে যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও।

কাদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহসান হাবিব জানায়, আমরা সড়ক দিয়ে আসতে অনেক সময় গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে সেই গর্তের পানি ও কাদা মাটি আমাদের গায়ে লেগে যায়। এ ব্যাপারে বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবদুর রউফ মোল্লা জানান, সড়কটি সংস্কারসহ প্রশস্থকরণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন এবং বরাদ্দ পেলে দ্রুত আমরা কাজ শুরু করবো।