৩ জেলায় করোনা উপসর্গে মৃত্যু ৩

ঝিনাইদহ

ঝিনাইদহে করোনা উপসর্গ নিয়ে জসিম উদ্দিন (৩৫) নামের একজন মারা গেছেন। ৩০ মে শনিবার সকালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে তিনি মারা যান। নিহত জসিম উদ্দিন সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের শওকত আলির ছেলে। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আইয়ুব আলি জানান, গত ২৭ মে জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাস কষ্ট নিয়ে জসিম উদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হন। তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার আগেই সকালে তিনি মারা যান। ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের করোনা কমিটির তত্ত্বাবধানে নিহত জসিম উদ্দিনের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে।

বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে করোনা উপসর্গ নিয়ে এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। ওই ব্যক্তির নাম, খোকন মণ্ডল (৪৫)। তার পিতার নাম, শুকুর মণ্ডল ওরফে শুকে। বাড়ি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বেরুলী গ্রামে। শনিবার সকালে জ্বর, সর্দি, কাশিসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে বালিয়াকান্দি হাসপাতালে ভর্তি হন। বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনা হয়। সন্ধ্যায় বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়। তিনি কয়েকদিন ধরেই জ্বর, সর্দি, কাশিসহ করোনার উপসর্গে ভুগছিলেন।

কক্সবাজার

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং পুরাতন শরণার্থী ক্যাম্পে করোনা উপসর্গ নিয়ে ওমর ফারুক (২৫) নামের এক রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু হয়েছে । ২৯ মে সকালে সীমিত পরিসরে জানাযা শেষে ক্যাম্পের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। করোনা মহামারীর এ সময়ে আকস্মিক জ্বরে এ যুবকের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের রোহিঙ্গাদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বলে জানান কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হাফেজ জালাল আহাম্মদ।

মারা যাওয়া ওমর ফারুকের বন্ধু রুবেল হোসেন মিরাজ জানান, ‘সে সুস্থ ছিল, কোন ধরনের রোগই ছিল না। ২৮ মে রাত ৮টার দিকে হালকা জ্বর অনুভব করায় বন্ধুদের আড্ডা থেকে বাড়ি চলে যায়। রাতে খাবার খেয়ে ঘুমাতে গেলে জ্বর একটু বাড়ে। সে কথা মা-বাবা ও এক বন্ধুকে জানায় ঘুমানোর আগে।

কিন্তু হালকা জ্বরই যে ছিল মৃত্যুর ইঙ্গিত তা টের পাননি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া যুবক ওমর ফারুক। সকালে ঘুম থেকে না উঠায় ডাকতে গেলে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়’। মৃত্যুবরণ করা ওমর ফারুক কুতুপালং পুরাতন নিবন্ধিত ক্যাম্পের জি ব্লকের সামসুল আলমের ছেলে। সে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের ১১তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। সে ২০১৭ সালে ব্যাপক আকারে রোহিঙ্গা আগমনের সময় বেশ কিছুদিন বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দোভাষীর কাজ করেছিল।