৩০ কিলোমিটার যানজটে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

image

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের কারনে ঘরমুখো মানুষের চরম ভোগান্তির পোহাতে হয়েছে। গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা পর্যন্ত ১৬ ঘন্টার এই যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ২৪ মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে ২৫ মার্চ বুধবার সকাল সাড়ে দশটার পর থেকে ধীর গতিতে যান চলতে শুরু করে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বুধবার থেকে সারাদেশে সরকারি বেসরকারি অফিস আদালত বন্ধ ঘোষণায় মানুষ রাজধানী থেকে একযোগে বাড়ি ফেরা শুরু করলে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুন বৃদ্ধি পায়। এছাড়া মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার কদিমধল্যা নামক স্থানে আন্ডারপাসের কাজ চলমান থাকায় ওই অংশে ওয়ানওয়েতে যানবাহন চলাচল করায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছেন।

ডলফিন পরিবহন বাসের যাত্রী পিয়ারুল জানান, বুধবার বিকেল ৪ টায় ফেণি থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে সকাল ৭ টায় মির্জাপুর পৌছেছেন।

চুয়াডাঙ্গা গামী মামুন স্পেশাল বাসের চালক সেলিম জানান,মঙ্গলবার রাত ১টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বুধবার সকাল ৬টায় মির্জাপুর পর্যন্ত পৌছেছেন।

ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার রাত ১২ টায় পিকআপভ্যানে রওনা দেওয়া মো. ফারুক হোসেন জানান, করোনার কারণে ছুটি হওয়ায় গ্রামে যাওয়ার জন্য বাসে ছিট না পেয়ে তিনি পিকআপের যাত্রী হয়েছেন। তবে বুধবার সকাল পৌনে সাতটায় তিনি মির্জাপুর পর্যন্ত এসে যানজটে আটকে আছেন বলে জানান।

বুধবার সকালে মহাসড়কের মির্জাপুরের পোষ্টকামুরী এলাকায় যানজটে আটকে পড়া ট্রাক চালক চানলাল সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, মঙ্গলবার সন্ধা ৭টায় ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে বুধবার সকাল সোয়া ৬টায় মির্জাপুর এসে পৌছেছি।

সকাল ১১ টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহাসড়কে ধীর গতিতে যান চলাচল করছে বলে মির্জাপুর বাইপাস স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে এ ব্যাপারে মির্জাপুরের হাইওয়ে থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান উল্লেখিত কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে সকাল পৌনে ১১ টায় যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।