ঢাবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে আগুন

image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ৭ জুলাই রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে গ্রন্থাগার থেকে বেরিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। তবে আগুন লাগার ১৫ মিনিটের মধ্যে তা নেভাতে সক্ষম হন গ্রন্থাগারের কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, সকাল সাড়ে ১০টায় গ্রন্থাগারের নিচতলার সার্কিট বোর্ডে আগুন লাগে। বোর্ডের তারে আগুন লেগে মুহূর্তের মধ্যেই সর্বত্র ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার ২৫ মিনিট পর গুলিস্তান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। ততক্ষণে গ্রন্থাগারের কর্মচারীরা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। আগুন লাগার পর গ্রন্থাগারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়।

আগুন নেভানোর পর ঘটনাস্থলে আসেন বিশ্ববিদ্যলয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রাব্বানী বলেন, গ্রন্থাগারের পেছনে ধোঁয়া দেখার পর পরই গ্রন্থাগারের কর্মচারীরা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। ফলে কোন শিক্ষার্থী ও গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত মূল্যবান গ্রন্থ ক্ষতির শিকার হয়নি।

এ বিষয়ে বিশ^বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ড. এসএম জাবেদ আহমদ বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সুইচ বোর্ডগুলোয় আগুন লেগে যায়। আমরা তৈরি ছিলাম। আমাদের লোকজন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেছে। এ ঘটনার পর আমরা গ্রন্থাগার বন্ধ করে দিয়েছি। সব বৈদ্যুতিক তার চেক করার পর আমরা গ্রন্থাগার খুলব।