সহশিক্ষা কার্যক্রম সাংগঠনিক আচরণ শেখায় : জবি উপাচার্য

image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্র সংগঠন গুলো শিক্ষার্থীদের সাংগঠনিক আচরণ শেখাতে সর্বাত্মক সহায়তা করবে। তাই পড়ালেখার পাশাপাশি এসব সংগঠনে জড়িত থাকার বিকল্প নেই। পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষ সংগঠক হতে হবে। সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পুনর্মিলনী ও নবীন বরণ ২০২০ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ কামাল উদ্দীন আহমদ বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করার পরই এমন সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। তখন মারামারি হাতাহাতি সংস্কৃতি ছিল। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা শক্তিশালী সাংস্কৃতিক বলয় গড়ে উঠেছে। আমি চাই এটি অব্যাহত থাকুক এর জন্য আমার জায়গা থেকে সর্বাত্মক সাহায্য করব।

আয়োজন সম্পর্কে জবি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি ফাইয়াজ হোসেন বলেন, এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুপ্ত শক্তিকে জাগ্রত করতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি প্রত্যেকেই তার নিজের জায়গা থেকে ভিন্ন এবং সেরা এটাকে জনতার সামনে নিয়ে আসার জন্য আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করি।

উল্লেখ্য, প্রথম পর্বে ছিল পুনর্মিলনী ও নবীনবরণ এবং কাল থাকবে বসন্তবরণ আয়োজন। ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আনন্দ র‌্যালি বের হয়।

পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে কবিতা আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য পরিবেশন ছিল মনকাড়া। এছাড়া জবি রঙ্গভূমির পরিবেশনে একটি একাঙ্কিকা নাটক এবং জবি উদীচীর পরিবেশনায় আঞ্চলিক গান ছিল বিশেষ আকর্ষণ।

জবি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি ফাইয়াজ হোসেনের সভাপতিত্বে মো. সাঈদ মাহাদী সেকেন্দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জবি কোষাধ্যক্ষ ড. কামাল উদ্দীন আহমদ, প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল, অধ্যাপক ড. বজলুর রশীদ খান, অধ্যাপক মোহা. অলপ্তগীন, সুরাইয়া আক্তার চিশতি রিমা ও অ্যাডভোকেট শৈবাল দত্ত।