এডিস মশা নির্মূলে ডিএনসিসি’র ২য় পর্যায়ে বিশেষ চিরুনি অভিযান

image

এডিস মশা নির্মূলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ২য় পর্যায়ের ‘বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও চিরুনি অভিযান’ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অভিযানের দ্বিতীয় দিনে ডিএনসিসির ৩৬টি ওয়ার্ডে ১০ হাজার ৭১৩টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে মোট ২৬টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি খুঁজে পায়। এ ছাড়া ৫ হাজার ২২১টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী স্থান/জমে থাকা পানি পাওয়া যায়। এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী এ সকল স্থান ধ্বংস করা হয়। প্রতিটি ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরগণ ‘চিরুনি অভিযান’ সক্রিয়ভাবে তত্বাবধান করছেন।

সোমবার শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফা চিরুনি অভিযানে এ ২ দিনে ৩৬টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ২০ হাজার ৭৬৩টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে মোট ৭৩টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। এ ছাড়া ১১ হাজার ৯৯১টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী স্থান/জমে থাকা পানি পাওয়া যায়। সেসব স্থানগুলো ধ্বংস করে লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হয়।

উত্তরায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়নের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে ১টি নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি পাওয়ায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া ‘হাংরি ডাক’ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ছাদে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শাহজাদপুরে ‘কনফিডেন্স টাওয়ারে’ এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর নাহিদ আহসানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বনানীতে নির্মাণাধীন ‘এসেট ডেভেলাপমেন্ট’, ‘আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন লি.’ ‘সিগনেচার ডেভেলাপার’ এবং একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনকে ৫০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ফুটপাত ও সড়ক দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করায় ‘কার স্পিড’ নামে একটি গাড়ির দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।