নতুন মেয়রের প্রতি চলমান উন্নয়ন কাজগুলো আরও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান খোকনের

image

চলমান উন্নয়ন কাজগুলো চালিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন মেয়রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) খিলগাঁও জোড়পুকুর খেলার মাঠ উদ্বোধন এবং মেয়র সাঈদ খোকন একাদশ ও সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুলবল ম্যাচের উদ্বোধন কালে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা ৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওয়াহিদুল হাসান, স্থপতি রফিক আজম, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ ইমদাদুল হক প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

সাঈদ খোকন বলেন, আমাদের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়েছে। আমরা যতটুকু করে গেলাম সেখান থেকে তাঁরা শুরু করে এই সমস্ত কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাবেন। তাদের প্রতি আমার অনুরোধ রইলো তারা এই সুন্দর কাজগুলো মেনটেইন করবেন এবং এখান থেকে আরও সুন্দর সুন্দর কাজ করবেন।

তিনি বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জলসবুজে প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু খেলার মাঠ ও পার্ক উদ্বোধন করে জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। যখন আমরা দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলাম তখন আমাদের এই প্রিয় শহরের অনেকগুলো পার্ক ও খেলার মাঠ বেদখল ছিলো। সন্ধ্যা নেমে আসলে অসামাজিক কার্যকলাপ শুরু হয়ে যেতো। বিভিন্ন মাঠে ট্রাক স্ট্যান্ড ছিলো। খেলাধূলার অনুপযোগী ছিলো। যার কারণে আমাদের ছেলে মেয়ে ও মুরুব্বিদের একটু হাটার সুযোগও ছিলো না। এই পরিস্থিতিতে আমরা এই মাঠ ও পার্কগুলোকে উদ্ধার করে আন্তর্জাতিক মানের করার সিদ্ধান্ত নিই।

মেয়র বলেন, আমাদের ১২টি খেলার মাঠ ও ১৯টি পার্ককে আধুনিক করার জন্য কাজ শুরু করি। আমরা শতাধিক স্থপতিদের নিয়ে মাঠগুলোর সাজিয়েছি। এই কাজগুলো করতে অনেক চ্যালেঞ্জ ছিলো। আমরা আমাদের নাগরিক ও বিভিন্ন প্রতিনিধিদেরকে সম্পৃক্ত করে কাজগুলো করেছি। সবাই মিলে যদি কাজগুলো না করা হতো তাহলে সম্ভব হতো না।

খোকন বলেন, পার্কগুলোর মাধ্যমে আমরা আমাদের নাগরীক জীবনকে একটা স্বাচ্ছন্দময়ী জীবনে নিয়ে যেতে চাই। জোড়পুকুর মাঠে ছোট্ট একটা কর্ণার থাকবে। সেখানে শিশুদের খেলার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। কপি শপ থাকবে। পরিবর্তনের সুচনা ইতোমধ্যে হয়েছে। আশা করি নতুন নেতৃত্বও তা করবেন।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, শুধু খিলগাঁও তে নয় ঢাকা শহরে আরও এমন অনেক মাঠ গড়ে উঠেছে। আমি আশরা করবো এই মাঠগুলো সুন্দরভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করবে। মেয়র সাঈদ খোকন কয়েক মাস পরে চলে যাবেন। তিনি এই শহরের জন্য অনেক কিছু করেছেন। তার বাবাও এই শহরের সেবা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্বে পৌঁছেছেন। আশি আশা করবো তিনি যেখানেই থাকেন নগরবাসীর জন্য কাজ করে যাবেন।