আওয়ামী লীগ নেতা ডাবলুর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান করবে দুদক

image

রাজশাহীতে সংখ্যালঘু পরিবারের সম্পত্তি দখল, জালিয়াতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি দুদক কমিশনের বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত নেয় হয়।

দুদকে পাওয়া অভিযোগে বলা হয়, রাজশাহীর বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা রাজারকারপুত্র ডাবলু সরকারের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও দুদক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের বাড়িঘর দখল ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন ডাবলু সরকার। অথচ তিনি ছিলেন বিআরটিসির বাসের টিকিট বিক্রেতা। তারা জানান, ডাবলু সরকারের বাবা রশিদ সরকার রাজশাহীর কুখ্যাত রাজাকার আবদুস সাত্তার ওরফে টিপুর সহযোগী ছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি, ডাবলু সরকার আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী। তার পরিবারের সবাই আগে মুসলিম লীগ ও পরে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। ডাবলুর ভগ্নিপতি মীর ইকবালের হাত ধরে ডাবলু আওয়ামী লীগে প্রবেশ করে। রাজশাহীর কুমারপাড়ায় সখিনা বোর্ডিং দখল করে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে দেশ ছাড়া করে ডাবলু। পরে তিনি সেখানে ১৬ তলা বিশিষ্ট সরকার টাওয়ার নির্মাণ করেন। রাজশাহীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে আবদুল জলিল বিশ্বাস মার্কেটটি নামমাত্র মূল্যে দখলে নিয়েছেন ডাবলু। রাতের আঁধারে ছোটবনগ্রামের বস্তিবাসী উচ্ছেদ করে ১২ বিঘা জমি দখল করেছেন।

কুমারপাড়ার বিআরটিসির ডিপোর জায়গাটি এক হিন্দু পরিবারের কাছ থেকে দখলে নেন ডাবলু। সিএন্ডবি মোড়ের পাশেই জায়গা দখল করে তিন তারকা হোটেল নির্মাণ করছেন তিনি। সেখানে তার দুই অংশীদার বিএনপি নেতা শিমুল ও এনায়েত। এছাড়া কুমারপাড়ায় রঘুশাহ নামের এক হিন্দু পরিবারকে উচ্ছেদ করে পাঁচ কাঠা জমিও দখল করে নেন ডাবলু। এবিষয়ে অভিযুক্ত ডাবলু সরকার বলেন, সামনে দলের সম্মেলন তাই আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।