তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

image

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের তৃতীয় শ্রেণীর একজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি আর অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাস্টার রোলে পাম্প অপারেটর হিসাবে কাজ শুরু করলেও বিভিন্ন প্রভাব খাটিয়ে নানা অনিয়মের মাধ্যমে এখন দেলোয়ার হোসেন নামে ওই কর্মচারী উচ্চমান সহকারী হিসাবে কাজ করছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকও। অভিযোগ রয়েছে, নানা অনিয়মের মাধ্যমে দেলোয়ার হোসেন এখন নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার মালিক। ঢাকা, খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও প্লটও রয়েছে তার। শুধু দেশের মধ্যেই নয়, অস্ট্রেলিয়াতেও তিনি গড়ে তুলেছেন বাড়ি ও নানা কার্যক্রম। বর্তমানে একটি ডেভেলপার কোম্পানির মালিকও। তবে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দেলোয়ার হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিকে দেলোয়ার বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৩২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর র‌্যাবের হাতে আটক হাবিবুর রহমান মিজানের মোহাম্মদপুর এলাকার ডিশ ব্যবসার বিল কালেক্টর হিসাবে কাজ করতেন। এরপর ২০০৬ সালে কমিশনারের সুপারিশে তিনি মাস্টার রোলে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে পাম্প অপারেটর হিসাবে চাকরি নেন। সেই থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। কমিশনার মিজানের সুপারিশে নানা প্রভাব খাটিয়ে বর্তমানে তিনি উচ্চমান সহকারী। দেলোয়ার হোসেনের নানা অপকর্মের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন খোদ তারই সহকর্মীরা। কিন্তু কেউ ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেন না।

চাকরি জীবনে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী হলেও তার রয়েছে অঢেল সম্পদ। দেলোয়ার হোসেন তার মায়ের নামে টাংগালি হাউজিং এস্টেট থেকে একটি প্লট কেনেন। কিন্তু সেটা বেশি দিন রাখেননি। দ্রুতই বিক্রি করে দেন। এরপর স্ত্রীর নামে খুলনার বয়রা হাউজিং এস্টেট এ শিল্পী-সাহিত্যিক কোটায় বরাদ্দ নিলেও বেতার-টেলিভিশনের কোন সনদ সেখানে দাখিল করতে পারেননি। পরে প্লটটি বিক্রি করে দেন। কুষ্টিয়া হাউজিং এস্টেটে তার নিজের নামে ৩.৫০ কাটা জমি দুই কিস্তিতে ১৪ লাখ টাকায় বরাদ্দ নেন। পরে ৪০ লাখ টাকায় সেটিও বিক্রি করে দেন। অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদপুরের এক হুন্ডি ব্যবসার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় তার শ্যালকের কাছে কোটি কোটি টাকা পাচার করছেন।

এ ব্যপারে দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সব মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার অফিসের একটি গ্রুপ আমাকে হেয়প্রতিপন্য করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করছে। তিনি আরও বলেন, দেশের নাগরিক হিসেবে আমার সম্পদ থাকতেই পারে। তবে সম্পদ সম্পর্কে যে সব মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে তা সঠিক নয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, হাবিবুর রহমান মিজান আমার এলাকার কমিশনার। আমি ছোট থেকে মোহাম্মদপুর এলাকায় বেড়ে উঠেছি। একজন জনপ্রতিনিধির সঙ্গে যে ধরনের সম্পর্ক থাকার মিজান কমিশনারের সঙ্গে আমার ততটুকুই সম্পর্ক রয়েছে। এর বেশি নয়।

আমানত হিসেবে রাখা ইয়াবা সেবন করে ফেলায় বন্ধুকে হত্যা

image

নুসরাত হত্যাকাণ্ডে কোন আসামির কি কাণ্ড ছিলো!

image

হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে ক্যাসিনো খালেদ

image

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি : আবরার পানি চেয়েছে দেওয়া হয়নি, হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে কিন্তু নেয়নি বড় ভাইয়ারা

image

মা ইলিশের লালসায় নদীতে লুঙ্গি পড়া জেলের সাজে আটক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় নি প্রশাসন

image

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগে খালেদ-শামীমের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

image

টং এর দোকানদার টু ঢং এর কাউন্সিলর ভায়া কোন এক সাবেক প্রতিমন্ত্রী

image

স্পর্শ ছাড়াই ঘুষের টাকা স্ত্রীর কাছে পৌঁছে যেতো

image

বালিশসহ সব কাণ্ডের অনুসন্ধানে দুদক

image