দুদকের বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

image

ঘুষ লেনদেনের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে জামিন দেননি হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন আবেদনটি ফেরতের আদেশ দেন। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

গত ২৩ জুলাই খন্দকার এনামুল বাছিরের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ। তার আগের দিন রাতে ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে বাছিরকে গ্রেফতার করে দুদকের একটি দল। এরপর তাকে রমনা থানায় রেখে ২৩ জুলাই দুপুরে আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত।

সাময়িক বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদক যে অনুসন্ধান করছিল, তার দায়িত্বে ছিলেন এনামুল বাছির। সে অনুসন্ধান চলার মধ্যেই ডিআইজি মিজান গত ৮ জুন দাবি করেন, বাছির তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এর পক্ষে তাদের কথপোকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপও তিনি ফাঁস করে দেন। ডিআইজি মিজান দাবি করেন, নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বাছির যে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’, তা প্রমাণ করতেই এই কাজ তিনি করেছেন। অন্যদিকে ঘুষ নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বাছির সব বানোয়াট বলেছিলেন।

আলোচিত ওই ঘটনার পর দুজনকেই সাময়িক বরখাস্ত করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান। এরপর দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা গত ১৬ জুলাই দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা মিজানকে গ্রেফতার দেখিয়েছিল দুদক। যিনি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আগে থেকেই কারাগারে রয়েছেন।