নুসরাত হত্যাকাণ্ডে কোন আসামির কি কাণ্ড ছিলো!

image

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার রায়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুরো বিষয়টির একটি চিত্র আঁকে। সেখানে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযোগপত্রভুক্ত ১৬ আসামির কার কী ভূমিকা ছিল, তা তুলে ধরা হয়।

সিরাজ উদদৌলা-কারাগারে বসে নুসরাত হত্যার পরিকল্পনা করেন। সহযোগীদের সেখানে ডেকে নির্দেশ দেন পুড়িয়ে মারার।

রুহুল আমিন- থানা ও প্রশাসন ম্যানেজ করার দায়িত্ব নেন। হত্যাকাণ্ডের পর ছাত্রলীগের নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।

মাকসুদুল আলম- হত্যার সরঞ্জাম কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা দেন। অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করান।

শাহাদাত হোসেন-নুসরাতকে হত্যার জন্য কেরোসিন কিনে দেন। ঘটনার সময় তিনি নিজে নুসরাতের মুখ চেপে ধরেন।

আফসার উদ্দিন- নুসরাতকে আগুন দেওয়ার আগে মাদ্রাসার ফটকে পাহারা দেন। মামলা তুলে নিতে চাপ দেন।

আবদুল কাদের-তিনিও নুসরাতকে হত্যার আগে মাদ্রাসার মূল ফটকে পাহারা বসিয়েছিলেন। হত্যায় সহযোগিতা করেন।

উম্মে সুলতানা-নুসরাতের সহপাঠী ছিলেন। নুসরাতকে ছাদে ডেকে নেন। ওড়না দিয়ে নুসরাতের হাত পেছন করে বেঁধে ফেলেন।

কামরুন নাহার-তিনি হত্যার জন্য বোরকা ও হাতমোজা কেনেন। ঘটনার সময় নুসরাতের হাত বাঁধেন এবং চেপে ধরেন।

ইফতেখারউদ্দিন- মাদ্রাসার ছাত্র। নুসরাতকে হত্যার আগে বৈঠকে অংশ নেন। মাদ্রাসার মূল ফটকের পাশে পাহারা দেন।

নুরউদ্দিন- কারাগারে অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করেন এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী হত্যা করতে বৈঠকে অংশ নেন।

মো. জোবায়ের- নুসরাতের ওড়না দুই ভাগ করে ফেলেন। ওড়নার একাংশ দিয়ে নুসরাতের পা পেঁচিয়ে ধরেন।

মহিউদ্দিন শাকিল-সাইক্লোন শেল্টারের দুই সিঁড়ির সামনে পাহারা দেন। যাতে সবাই নিরাপদে চলে যেতে পারেন।

আবদুর রহিম-মাদ্রাসার ছাত্র। নুসরাত হত্যার আগে তিনি মাদ্রাসার ফটকে পাহারা দেন।

ইমরান হোসেন-মাদ্রাসার মূল ফটকের পাশে পাহারা দেন। হত্যাকান্ডে সহযোগিতা করেন।

জাবেদ হোসেন-নুসরাতকে হত্যার আগে বৈঠকে অংশ নেন। আগুন দেওয়ার আগে নুসরাতের পা বেঁধে ফেলেন।

মো. শামীম-সাইক্লোন শেল্টারের দুই সিঁড়ির সামনে পাহারা দেন। যাতে কেউ আসতে না পারে।

আমানত হিসেবে রাখা ইয়াবা সেবন করে ফেলায় বন্ধুকে হত্যা

image

হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে ক্যাসিনো খালেদ

image

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি : আবরার পানি চেয়েছে দেওয়া হয়নি, হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে কিন্তু নেয়নি বড় ভাইয়ারা

image

মা ইলিশের লালসায় নদীতে লুঙ্গি পড়া জেলের সাজে আটক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় নি প্রশাসন

image

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগে খালেদ-শামীমের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

image

টং এর দোকানদার টু ঢং এর কাউন্সিলর ভায়া কোন এক সাবেক প্রতিমন্ত্রী

image

স্পর্শ ছাড়াই ঘুষের টাকা স্ত্রীর কাছে পৌঁছে যেতো

image

তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

image

বালিশসহ সব কাণ্ডের অনুসন্ধানে দুদক

image