পাপিয়া ও তার স্বামীর অবৈধ সম্পদের তথ্য জানতে ৬০ ব্যাংককে দুদকের চিঠি

image

যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামিমা নুর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান সুমনের অবৈধ সম্পদ ও অর্থের হিসাব জানতে দেশি-বিদেশি ৬০টি ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপ-পরিচালক শাহিন আরা মমতাজ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তথ্য চেয়ে রোববার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ৬০ ব্যংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো হয়। এর মধ্যে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার দুটি ব্যাংকও রয়েছে।

দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, পাপিয়ার সম্পদ, সেসবের উৎস, ক্ষমতা, বিদেশে অর্থ পাচার সবই অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে। পাপিয়ার আশপাশে যারা ছিল, তাদের দিকেও গোয়েন্দা নজর রাখা হচ্ছে। তার সহযোগীরাও আইনের আওতায় আসবে।

দুদক সূত্র জানায়, পাপিয়া ও তার স্বামী সুমনের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিভিন্ন অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাদের অর্থ সম্পর্কে খোঁজ নিতে দেশি-বিদেশি ৬০টি ব্যাংকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এছাড়া থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ায় এই দম্পতির বাড়ি ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য জানতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে হোটেল ওয়েস্টিন ও রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ডোম-ইনো বরাবর চিঠি চিঠি দেয় দুদক। গত ২ মার্চ তলবি চিঠিতে ওইসব নথিপত্র ৮ মার্চের মধ্যে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। চিঠিতে হোটেল ওয়েস্টিন থাকা ও খাওয়ার বিলের কপি, বিভিন্ন সময় হোটেল বুকিংয়ের নথিপত্র এবং কার কার নামে রুম বুকিং করা হয়েছে, সেসব বিষয় সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়। যদিও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র এখনো পৌঁছায়নি হোটেল ওয়েস্টিন ও ডোম ইনো।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, পাপিয়া কর অঞ্চল-১০ এর আওতায় নিয়মিত আয়কর নথি জমা দিতেন। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দাখিল করা আয়কর বিবরণী পর্যালোচনায় দেখা যায়, পাপিয়া বছরে আয় দেখিয়েছেন মাত্র ৩ লাখ টাকা। আর মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করেছেন ১৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। আয়কর বিবরণীতে তিনি শুধুমাত্র নরসিংদীর কেএমসি এন্টার প্রাইজকে তার সম্পত্তি ও আয়ের উৎস হিসেবে দেখিয়েছেন।

পাপিয়া ও তার স্বামীর নামে নরসিংদীর প্রাইম ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এবং সিটি ব্যাংক লিমিটেডে অর্ধডজন ব্যাংক হিসাবের খোঁজ পাওয়া গেছে। এসব ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৬ লাখ টাকা জমা রয়েছে বলে জানা গেছে।

পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, জাল টাকার ব্যবসা ও বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা ডাবলুর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান করবে দুদক

image

দক্ষিনের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন রতনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

image

ছদ্মবেশে পাসপোর্ট প্রত্যাশী দুদকের নিকট সরাসরি ঘুষ দাবি

image

দৈনিক পত্রিকার ওয়েবসাইটগুলোর নকলকারী ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারক গার্ডিয়ানের এমডি গ্রেফতার

image

নাম অপ্রকাশিত এক সরকারি কর্মকর্তা মোটা ঘুষ লেনদেনে প্রমাণিত

image

শিক্ষার প্রকৌশল বিভাগের ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

image

জি কে শামীমের অবৈধ কজের সহযোগী হয়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুই প্রকৌশলীসহ তিনজনকে দুদকের তলব

image

কিশোরগঞ্জের এমপি আফজালের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের নেমেছে দুদক

image

জি কে শামীমের বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধানে ব্যবসায়ী মোমতাহিদুরকে জিজ্ঞাসাবাদ

image