পুরান ঢাকায় ১ লাখ ৪০ হাজার পিস নকল মাস্কসহ গ্রেফতার ৫

image

পুরান ঢাকার নারিন্দার ভূতের গলি থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার নকল মাস্ক ও মাস্ক তৈরির উপকরণসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি টিম ২১ জুন রোববার তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলো-নকল মাস্ক তৈরি কোম্পানির মালিক খালিদ ইমরান (৪০), কর্মচারী রেহান ইউসুব (১৯), আবদুল সোবহান (২০), জিতু চন্দ্র দাস (৩৬) ও ওসমান গনী (২৭)। কারখানা থেকে এসব নকল মাস্ক ও মাস্ক তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, সানরাইজ ব্যাগ কোম্পানি নামে একটি চক্র করোনা প্যানডেমিক ছড়িয়ে পড়ার পরে নকল মাস্ক তৈরি করে আসছিল। ওয়ারীর নারিন্দার ভূতের গলিতে তাদের কারখানা। রোববার ওই কারখানায় সিআইডির সিরিয়াস ক্রাইম টিম অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। অভিযানে নের্তৃত্ব দেন সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাজীব ফরহান। কারখানা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস নকল মাস্ক ও মাস্ক তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। বাজারের খুচরা দর অনুযায়ী জব্দ করা এসব মাস্ক এর আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ টাকা।

এছাড়া নকল মাস্ক তৈরির প্রায় ১ হাজার কেজি ফেব্রিক্স জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকে ঠিকাদারের মাধ্যমে এই চক্র বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের নকল মাস্ক সরবরাহ করে আসছিল। প্রাথিমক জিজ্ঞাসাবাদের তারা নকল মাস্ক তৈরির কথা স্বীকার করেছেন। সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাজীব ফরহান বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের রিমান্ড আবেদন করে রোববারই আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ধরনের অবৈধ মাস্ক তৈরির কারখানা ও সংল্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এর আগে পুরান ঢাকায় ভেজাল ও নকল স্যাভলন, হেক্সাসলসহ বিভিন্ন জীবাণুনাশক তৈরির সঙ্গে জড়িত ৭ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হলো- মোহসিন, আবদুল কাদের, ডালিম, আবদুর রউফ, নূরু মিয়া, রতন মিয়া ও ইসমাইল আহমেদ। গত ১৯ জুন শুক্রবার মিডফোর্ড ও বাবুবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১৯০০ লিটার নকল ও ভেজাল স্যাভলন এবং ৫০০ লিটার নকল ও ভেজাল হেক্সাসল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মো. ওয়ালিদ হোসেন।