ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ তিন জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

image

গ্রাহকের সোয়া ৯ কোটি টাকা জালিয়াতীর মাধ্যমে আত্মসাত করার অভিযোগে দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ এর চেয়ারম্যান সিহান আবরার চৌধুরীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)। দুদকের উপ পরিচালক সালাউদ্দিন আহমেদের টিমের সদস্য এক উপ সহকারী পরিচালক হয়ে এ মামলা করবেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) কমিশনের বৈঠকে মামলা দায়েরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। মামলায় অন্য আসামীরা হচ্ছেন ভাইস চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামছুন নাহার। এছাড়া আরো ৩ টি মামলা সিহান চৌধুরীর বাবা, মা এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদক।

দুদক সূত্র জানায়, দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লি: এর চেয়ারম্যান সিহান আবরার চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন এবং এমডি সামছুন নাহার পরস্পর সেযাগসাজগে জালিয়াতী করে ব্যাংকের আমানতকারীদের আমানতের ৯ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। এ টাকা আত্মসাতসহ বিভিন্নভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। তাদের এমন অণৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে তারা ৩ জনই সমবায় সমিতি আইন লংঘন করার অভিযাগের তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে কমিশন।

অনুসন্ধানের নথিততে বলা হয়েছে, শিহান আবরার চৌধুরি দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের অবৈধ প্রভাব খাটিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের কার্যক্রমে। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ভাইস চেয়ারম্যান, বেলায়েত হোসেন এবং ফার্মগেট শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুন্নাহারের সহায়তায় আমানতকারীর আমানতের ৯ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে ঋণ হিসেবে গ্রহণ করেন। পরে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন পুরোপুরি। আত্মসাৎকৃত টাকা দিয়ে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় নিজ নামে সম্পত্তি অর্জন করেন। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আমানতকারীদের আমানতের টাকায় অবৈধভাবে ঋণ গ্রহণ এবং উক্ত অর্থ স্থানান্তর, রূপারুর করার মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করে দন্ডবিধির ৪০৯ ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বিধায় তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়।

দুদক সূত্র জানায়, দি মার্কেন্টলাইল কো অপারেটিভ সোসাইটি ব্যাংকি প্রতিষ্ঠান না হয়েও অবৈধ ভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানো। ব্যাংকের মতো গ্রাহকের একাউন্ট খোলা, অর্থ জমা রাখা এবং ঋন বিতরনের কার্যক্রম চালানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন অনুমোদন ছিলো না। দি ঢাকা মাকেন্টাইল কো অপারেনিভ সোসাইটি ব্যাংক নাম দিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারনার মাধ্যমে গ্রাহকের কাছ থেকে আমানত জমা নিয়ে তা আত্মসাত করার অভিযোগ পায় দুদক। এছাড়া এ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে( সিহান চৌধুরীর বাবা, মা এবং ভাই) অবৈধ সম্পদ অর্জনেরও অভিযোগ পেয়েছে দুদক। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও অবৈধ কার্যক্রমে অভিযোগ আছে। সব মিটিলে মোট ৪ টি বিষয়ে অণুসন্ধান চলমান রয়েছে। এর মধ্যে সোয়া ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুদক উপ পরিচালক সালাউদ্দিন আহমেদের কাছে আসে। এর আগে এ অভিযোগটি দুদকের অন্য কর্মকর্তারা কয়েকদফা অনুসন্ধান করেছেন। এ টিমের কাছে বাকী অভিযোগগুলো অনুসন্ধানের জন্য নতুন করে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সম্রাট-শামীমের নিয়ন্ত্রনে গণপূর্ত টেন্ডার ভাগ-ভাটোয়ারা করেছেন মুশফিক ও শাহে আলম

image

আওয়ামী লীগ নেতা ডাবলুর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান করবে দুদক

image

দক্ষিনের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন রতনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

image

ছদ্মবেশে পাসপোর্ট প্রত্যাশী দুদকের নিকট সরাসরি ঘুষ দাবি

image

দৈনিক পত্রিকার ওয়েবসাইটগুলোর নকলকারী ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারক গার্ডিয়ানের এমডি গ্রেফতার

image

নাম অপ্রকাশিত এক সরকারি কর্মকর্তা মোটা ঘুষ লেনদেনে প্রমাণিত

image

শিক্ষার প্রকৌশল বিভাগের ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

image

জি কে শামীমের অবৈধ কজের সহযোগী হয়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুই প্রকৌশলীসহ তিনজনকে দুদকের তলব

image

কিশোরগঞ্জের এমপি আফজালের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের নেমেছে দুদক

image