রয়েছে বিপুল সম্পদ ও অর্থ নেই শুধু বৈধ উৎস

image

অনলাইন ক্যাসিনো পরিচালক সেলিম প্রধান ও মোহামেডান ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্য লোকমান ভূইয়ার বিপুল পরিমান সম্পদের খোজ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়া এ দুই জনের বিরুদ্ধে দেশে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ছাড়া বিদেশে শত কোটি টাকা অর্থ পাচারেরও তথ্য পেয়েছে দুদক। রোববার (২৭ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে অনলাই ক্যাসিনো প্রধান সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করে (মামলা নং ১৬)। অপরদিকে লোকমান ভূইয়ার বিরুদ্ধে মামলা করে সহকারী পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলাম (মামলা নং ১৫)। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১ এ এ দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে দুদকের মামলায় অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে জিকে বিল্ডার্সের মালিক এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ও যুবলীগ থেকে বহিস্বৃক খালেদ মাহমুদ ভূইয়া ওরফে ক্যাসিনো খালেদকে রিমান্ড হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। জিকে শামীমের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত করছেন উপ পরিচালক সালাউদ্দিন আহমেদ এবং খালেদ ভূইয়ার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত করছেন উপ পরিচালক জাহাঙ্গির আলম। দুজনকে ৭ দিন করে ১৪ দিন রিমান্ড হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদনের পেক্ষিতে আদালত তা মঞ্জুর করেছে।

দুদক সূত্র জানায় অনুসন্ধানকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মো: সেলিম প্রধানের ২০১৮-২০১৯ কর বষের্র আয়কর নথি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, তার নিজ নামে ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৬শ ১৮ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যে কোম্পানীর পরিচালক হিসেবে শিয়ারে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ৪ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া এফডিআর এ বিনিয়োগ ৬ কোটি ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা, সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে ব্যয় ৭৬ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং হাতে নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত হিসেবে ঘোষিত ৬ লাখ ২৮ হাজার ৬১৮/- টাকা। তবে দুদকের অনুসন্ধানে এসব অর্থ অর্জনের সপক্ষে কোন সুনির্দিষ্ট বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধানকালে জানা যায় যে, পুলিশ কর্তৃক অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মো: সেলিম প্রধানসহ অন্য চারজন ব্যক্তির নামে মানিলন্ডরিং প্রতিরোধ আইনে গুলশান (ডিএমপি) থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে( নং ৪ তারিখ: ২-১০-২০১৯ )। এছাড়াও সেলিম প্রধানসহ অন্য দুইজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে গুলশান থানায় মামলা দায়ের হয়েছে( নং-৩, তারিখ: ২-১০-২০১৯ )।

অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন গোপন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যমূলে আরও জানা যায় যে, ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় তার নিজ দখলে ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা, বনানীসহ একাধিক জায়গায় বাড়ি ও ফ্ল্যাট রয়েছে, যার বাজার মূল্য শতাধিক কোটি টাকা। ওইসব সম্পদ তিনি তার আয়কর নথিতে প্রদর্শণ করেননি। সেলিম প্রধানের আয়কর নথি ও ইন্টিলিজেন্স সূত্রে জানা যায়, সেলিম প্রধান অনলাইন ভিত্তিক ক্যাসিনোর মূল গডফাদার। তিনি থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসা চালিয়ে অবৈধভাবে মানিলন্ডারিং এর মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি ২০১৮ সালে ক্যাসিনো মার্কেট পি-২৪ লি: নামে গেমিং কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন। ওয়েবসাইটে যার অফিস ১১/এ রোড নং-৯৯, গুলশান-২ এ অবস্থিত। এছাড়াও তার কর্পোরেট অফিসের ঠিকানা দেয়া হয়েছে ডি-১, মমতাজ ভিশন, রোড-৯৯(১১/এ), গুলশান-২, ঢাকা। মো: সেলিম প্রধান রুপালী ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে ১০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে। ওই অর্থ পরিশোধ না করায় তিনি ঋণ খেলাপী হিসেবে তালিকা ভুক্ত। তিনি অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসাসহ অন্যান্য অনৈতিক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রতি মাসে অন্তত ১০০ কোটি টাকা বিভিন্ন দেশে পাচার করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানায়।

তার বৈধ আয়ের কোন উল্লেখযোগ্য কোন উৎস নেই। তিনি ক্যাসিনো ব্যবসা’সহ অবৈধ পন্থায় অর্জিত অর্থ বিপুল পরিমান সম্পত্তির মালিক হয়েছে। সেলিম প্রধান বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭শ ৫৪ টাকার অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সাথে অসংগতিপূর্ণভাবে অর্জন করেছেন, যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তার অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ দ্বারা দেশের বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে একাধিক প্লট, বাড়ী ও ফ্ল্যাট অর্জন করাসহ দেশে-বিদেশে নামে বেনামে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

দুদকের তদন্ত সংশ্লিস্ট কর্মকর্তা জানান, দেশে তার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেলেও বিদেশে যে অর্থ পাচার করেছেন সে সংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিস্ট দপ্তরের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

দুদক সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট লোকমান হোসেন তার আয়নথিতে ৭৬ লাখ ৭০ হাজার ৬শ ৬৪ টাকা ছাড়াও তার নিজ নামে ও তার স্ত্রী নাভিলা লোকমানের সাথে যৌথভাবে আরও ২ কোটি ৯৬ লাখ ২৮ হাজার ৯শ ৯৩ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জন করার তথ্য রয়েছে । কিন্তু তা তাদের আয়কর নথিতে প্রদর্শন করেননি। তাছাড়া প্রাথমিক অনুসন্ধানকালে ২ কোটি ৯৬ লাখ ২৮ হাজার ৯শ ৯৩ টাকা আয়ের স্ব পক্ষে কোন বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। এ অর্থ পুরোটাই অবৈধভাবে অর্জণ করেছেন। অনুসন্ধানকালে জানা যায় যে, মো: লোকমান হেসেন বিসিবি’র একজন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি মোহামেডান ক্লাবে ক্যাসিনো ব্যবসার জন্য ভাড়া বাবদ প্রতিদিন ৭০ হাজার টাকা করে মাসে প্রায় ২১ লাখ টাকা আদায় করতেন। যা মূলত ঢাকা দক্ষিনের ৯ ননং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ কে এম মমিনুল হক সাইদ কর্তৃক পরিচালনা করা হতো। লোকমান হোসেন ভূইয়া ক্যাসিনো ব্যবসা হতে প্রাপ্ত ৪১ কোটি টাকা অস্ট্রেলিয়ার এএনজেড এবং কমনওয়েলথ ব্যাংকে রেখেছেন। ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে মাদব্য দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে তেজগাঁও (ডিএমপি) থানা মামলা দায়ের হয়েছে( নং ৪৫, তারিখ: ২৬/০৯/২০১৯)।

প্রাথমিক অনুসন্ধানকালে লোকমান হোসেন ভূইয়া অসৎ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৪ কোটি ৩৪ লাখ ১৯ হাজার ৬৫৭ টাকার অবৈধ সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সাথে অসংগতিপূর্ণভাবে অর্জন করে তা নিজ ভোগ দখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় একটি মামলা রুজু করা যায়।অনুসন্ধানকালে তার সম্পদের মধ্যে তেজগাও মনিপুরি পাড়ার ১২/এ ৫ তলা বাড়ি । সাভারের শিমুলিয়ায় ১৪৯ শতক জমি, মোহাম্মসপুরে ২ কাঠা জমি, মিরপুরে ৬ কাঠার জমি। এছাড়া ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড। ১৫ লাখ টাকা মূল্যের গাড়ি এবং ৫৫ লাখ টাকার ব্যাংক হিসেবসহ বিভিন্ন সম্পদ রয়েছে।

লোকমান ভূইয়ার নামে ৭ টি ব্যাংকে ম্টো ১৭ টি একাউন্ট রয়েছে। এর মধ্যে ডাচবাংলা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চ্যাডার্ড ব্যাংক,দি সিটি ব্যাংক. এইচ এসবিসি ব্যাংক, এনবিএল ব্যাংক এবং অগ্রনী ব্যাংকের এসব একাউন্ডে মোট ২ কোটি ৯৬ লাখ ২৮ হাজার ৯শ৮৪ টাকার হিসাব পাওয়া গেছে।

শামীম ও খালেদকে রিমান্ড হেফাজতে নিচ্ছে দুদকঃ

এদিকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে করা মামলায় জিকে বিল্ডার্সের মালিক এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীম এবং খালেদ মাহমুদ ভূইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড হেফাজতে নিয়েছে দুদক। দুদকের উপ পরিচালক সালাউদ্দিন ও জাহাঙ্গির আলমের আবেদনের পেক্ষিতে দুজনজকে ৭ দিন করে মোট ১৪ দিনের রিমান্ড হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমদি দেয় আদালত। এর আগে জিকে শামীমের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী উপ পরিচালক সালাউদ্দিন আহমেদ এবং উপ পরিচালক জাহাঙ্গির হোসেন আবেদন করেন।

দুদকের মামলা তদন্ত সূত্র জানায়, রোববার জিকে শামীম ও খালেদ মাহমুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। সুবিধা বুঝে তাদের দুদক কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অর্থ পাচার, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে সে সম্পর্কে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আদালত সূত্র জানায়, ক্যাসিনোকান্ডে আলোচিত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া (জি কে) শামীমকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আল মামুন দুইজনকেই সাত দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন। যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া এবং যুবলীগ নেতা পরিচয়ে ঠিকাদারি ব্যবসা করে আসা জি কে শামীমকে রোববার আলাদাভাবে আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে রিমান্ড চেয়েছিল দুদক। দুই মামলাতেই দুদকের পক্ষে রিমান্ড শুনানি করেন আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। অন্যদিকে খালেদের পক্ষে আইনজীবী মিজানুর রহমান মোল্লা এবং শামীমের পক্ষে গাজী মো. শাহ আলম রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন নাকচ করে দুই জনকেই সাত দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

এর আগে গত ২১ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ খালেদ ও শামীমের বিরুদ্ধে মামলা দুটি দায়ের করা হয়। জি কে শামীমের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন। ‘অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ ২৯৭ কোটি আট লাখ ৯৯ হাজার ৫৫১ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখল করার অভিযোগ আনা হয় মামলায়। খালেদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের আরেক উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। ওই মামলায় খালেদের বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। গত ১৮ সেপেটম্বর ঢাকার ক্লাবপাড়ায় অভিযান শুরুর প্রথমদিনেই গুলশানের বাসা থেকে খালেদকে গ্রেফতার করা হয়। তার বাসা থেকে পাওয়া যায় ৫৮৫টি ইয়াবা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং অবৈধ অস্ত্র। একই সঙ্গে অভিযান চলে ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে। সেখানে পাওয়া যায় মদ আর জুয়ার বিপুল আয়োজন। সেইসঙ্গে ২৪ লাখ টাকা। ওই ঘটনায় অস্ত্র, মাদক ও মুদ্রাপাচার আইনে খালেদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয় গুলশান থানায়। আর মতিঝিল থানায় মাদক আইনে করা হয় আরেকটি মামলা। অন্যদিকে জি কে শামীমকে গ্রেফতার করা হয় ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিকতনে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে। সেখান থেকে নগদ প্রায় দুই কোটি টাকা, পৌনে দুইশ কোটি টাকার এফডিআর, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদ যায়। ওই সময় শামীমের সঙ্গে তার সাত দেহরক্ষীকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে শামীমের বিরুদ্ধেও মাদক, অর্থ পাচার ও অস্ত্র আইনে তিনটি মামলা হয়। এসব মামলায় ডিবি, র‌্যাব এবং সিআইডি হেফাজতে নিয়ে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করে দুজনকে। পরে তাদের জেলে পাঠানো হয়। এর পর দুদক তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

নুসরাত হত্যাকাণ্ডে কোন আসামির কি কাণ্ড ছিলো!

image

হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে ক্যাসিনো খালেদ

image

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি : আবরার পানি চেয়েছে দেওয়া হয়নি, হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে কিন্তু নেয়নি বড় ভাইয়ারা

image

মা ইলিশের লালসায় নদীতে লুঙ্গি পড়া জেলের সাজে আটক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় নি প্রশাসন

image

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগে খালেদ-শামীমের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

image

টং এর দোকানদার টু ঢং এর কাউন্সিলর ভায়া কোন এক সাবেক প্রতিমন্ত্রী

image

স্পর্শ ছাড়াই ঘুষের টাকা স্ত্রীর কাছে পৌঁছে যেতো

image

তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

image

বালিশসহ সব কাণ্ডের অনুসন্ধানে দুদক

image