একই মঞ্চে সম্মানিত কুমার শানু ও আঁখি আলমগীর

image

গত ১ নভেম্বর কলকাতার কামালগাজী নেতাজী স্পোর্টস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হলো ‘বিজয়া সম্মিলনী ২০১৯’। অনুষ্ঠানে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী কুমার শানু ও বাংলাদেশের আঁখি আলমগীরকে একই মঞ্চে সম্মানা প্রদান করা হয়। কলকাতার সাংসদ শুভাশীষ চক্রবর্তী ও এমএলএ ফেরদৌসী বেগম কুমার শানু ও আঁখি আলমগীরকে উত্তরীয় পড়িয়ে দেবার পাশাপাশি ফুলেল শুভেচ্ছা, তাদের পোট্রেট ও সম্মানা ক্রেস্ট প্রদান করেন। কলকাতায় স্পোর্টস কমপ্লেক্স্রে ত্রিশ হাজারেরও বেশি দর্শকের সামনে এই সম্মাননা কুমার শানুর সঙ্গে একই মঞ্চে গ্রহন করাকে আঁখি আলমগীর তার সঙ্গীত জীবনের এক অবিস্মরনীয় মুহুর্ত বলে আখ্যায়িত করেছেন। আঁখি আলমগীর বলেন,‘ কলকাতার মাটিতে আমাকে হাজার হাজার দর্শকের সামনে আমাকে যে সম্মাননা প্রদান করা হলো, আমাকে যেভাবে সম্মানিত করা হলো তাতে আমি সত্যিই ভাষাহীন হয়ে পড়েছিলাম। তাদের সেই ভালোবাসার কাছে, সম্মানের কাছে আমি ঋণী হয়ে গেলোম। তাদের শ্রদ্ধা, ভালোবাসাকে আমি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই। আয়োজক কমিটির প্রতিও অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা রইলো। সত্যিই ১ নভেম্বর সন্ধ্যাটা আমার জীবনের স্মরনীয় হয়ে থাকবে। সেইসাথে আমার সঙ্গে আমারই সবসময়ের সঙ্গী যে শ্রদ্ধেয় মিউজিসিয়ানরা ছিলেন তারাও অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তুলতে, উপভোগ্য করে তুলতে অনেক কষ্ট করেছেন। তারাও আমার এই প্রাপ্তিতে ভীষণ খুশি।’ অনুষ্ঠানে কুমার শানু টানা দুই ঘন্টা এবং আঁখি আলমগীর টানা দুই ঘন্টা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

রোববার (৩ নভেম্বর) আঁখি আলমগীর কলকাতা থেকে ঢাকায় ফিরেন। এদিকে স্টেজ মৌসুম শুরু হওয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন আঁখি আলমগীর। ঢাকায় ফিরেই তিনি স্টেজ শো’তে মেতে উঠবেন আবারো। আঁখি আলমগীর এরইমধ্যে দুটি নতুন গানেরও কাজ শেষ করেছেন। একটি গান হলো ‘তন্নি তনুকা’। এই গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার এবং সুর করেছেন আলাউদ্দিন আলী। এছাড়াও আকাশ সেনের সুরে নতুন একটি গানে কন্ঠ দিয়েছেন তিনি।