নির্মাণে আসছেন ছন্দা

image

টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ে এরই মাঝে প্রশংসিত হয়েছেন গোলাম ফরিদা ছন্দা। এবার জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী নতুন পরিচয়ে পরিচিত হতে যাচ্ছেন। ক্যামেরার সামনের ছন্দা এবার আসছেন ক্যামেরার পেছনেও। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। শোক দিবস উপলক্ষে দেশের শীর্ষ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ক্রাউন এন্টারটেইনমেন্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য প্রায় ডজন খানেক নাটক ‘উপহার’ দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শোক দিবসের জন্য ‘জোছনা’ শিরোনামের একটি টেলিভিশন কাহিনীচিত্র নির্মাণ করবেন গোলাম ফরিদা ছন্দা। নাটকটি পরিচালনার পাশাপাশি নাম ভূমিকায়ও অভিনয় করবেন তিনি। শোয়েব চৌধুরীর গল্পে চিত্রনাট্য ও সংলাপ করেছেন ফেরারী ফরহাদ।

এ প্রসঙ্গে গোলাম ফরিদা ছন্দা বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এ বছর জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ক্রাউন এন্টারটেইনমেন্ট ব্যতিক্রমী একটি উদ্যোগ নিয়েছে। ক্রাউন কর্তৃপক্ষ আমাকে নির্মাণের প্রস্তাব দিলে বিষয়টি ভীষণভাবে আমার মনে নাড়া দেয়। কারণ এমন একটি দিবসের কাজের প্রস্তাব পেয়েছি, যা সত্যিই অনেক ভাগ্যের ব্যাপার। এ জন্যেই কোন কিছু না ভেবেই রাজি হয়ে যাই। এর আগেও নির্মাণের প্রস্তাব পেয়েছিলাম কিন্তু আগ্রহ করিনি। ক্রাউনের কর্ণধার শোয়েব চৌধুরী ভাইয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা, ভালো একটি কাজের সঙ্গে আমাকে যুক্ত রাখার জন্য।’

ছন্দা আরও বলেন, ‘অনেক বছর ধরেই তো অভিনয় করছি, কিন্তু কখনও পরিচালনায় আসার কথাটা সেভাবে ভাবিনি। ভালো একটা প্রস্তাব পেয়েছি বলেই কাজটি করছি। মিডিয়ার করুণ অবস্থায় ক্রাউন এন্টারটেইনমেন্ট যেভাবে কাজ করছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। বঙ্গবন্ধুর কাজে নিজেকে যুক্ত রাখতে পারছি এটিও আমার জন্য বিশাল প্রাপ্তি। ১৫ আগস্টের ভয়াবহ এবং মর্মান্তিক ঘটনা স্মরণ করলেই গায়ের লোম কাটা দেয়। সেই ভাবনা থেকেই সুযোগটি কাজে লাগানো। নাটকের নাম ভূমিকায়ও আমি থাকছি। আমার মনে হয় দর্শক হতাশ হবেন না। দর্শক ভালো কিছু পেতে যাচ্ছেন।’

আসছে ঈদে কি কি নাটকে পাওয়া যাবে এ প্রশ্নের জবাবে ছন্দা বলেন, ‘ক্রমশ করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই এ সময়ে কাজ করছি না। যার কারণে আসছে ঈদের জন্য একটি নাটকে কাজ করেছি। তাও নিজের ঘরে থেকে শুটিং হয়েছে বলে কাজটি করা। কামরুজ্জামান সাগর এর পরিচালনায় ‘বাবারা সব পারে’। করোনার কারণে জনজীবন হুমকির মুখে এ সময়ে সবাইকে সাবধানতা অবলম্বন করে কাজ করতে হবে। সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার অনুরোধ রইলো।’

প্রসঙ্গত, ক্রাউন এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত এ সময়ের ১২ জন জনপ্রিয় নির্মাতা শোক দিবসের নাটকগুলো নির্মাণ করবেন। তারা হলেন- গোলাম সোহরাব দোদুল, ফরিদুল হাসান, শামীম জামান, দেবাশীষ বিশ্বাস, আদিবাসি মিজান, তাজু কামরুল, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, সুজিদ বিশ্বাস, বন্ধন বিশ্বাস, আবু হায়াৎ মাহমুদ ও সুমন ধর।