বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে যাচ্ছেন অপু বিশ্বাস

image

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস দেশ-বিদেশে স্টেজ শো’তে নিয়মিত পারফর্ম করছেন। যে কারণে অভিনয়ের বাইরেও এখন বেশ ব্যস্ততা রয়েছে অপু বিশ্বাসের। এরইমধ্যে গেল সপ্তাহে দুবাই থেকে শো করে দেশে ফিরেছেন তিনি। আজ মধ্যরাতে আবারও উড়াল দিচ্ছেন তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায়। সেখানে আনসান ওয়া স্টেডিয়ামে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ ফ্যাস্টিভ্যাল ২০১৮’। এই ফেস্টিভ্যালেই অপু বিশ্বাস পারফর্ম করতে যাচ্ছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের শিল্পীদের আয়োজক বিশিষ্ট যন্ত্রশিল্পী আলমগীর হোসেন। তিনি জানান শুধু অপু বিশ্বাসই নয় হারুণ কিসিঞ্জার, লেমিস, পাওয়ার ভয়েজের সজলও যাচ্ছেন। ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠান শেষে সবাই আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ফিরে আসবেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় পারফর্ম করা প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আলমগীর ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় দীর্ঘদিনের। খুব ভালো মনের একজন মানুষ। তাই তার আয়োজনে আত্মবিশ্বাস নিয়েই দক্ষিণ কোরিয়া অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস বাংলাদেশ ফ্যাস্টিভ্যালে আমাদের অংশগ্রহণ ফেস্টিভ্যালকে আরও অনেক বেশি রঙ্গিন করে তুলবে। আমিও যাবার আগে এখান থেকেই প্র্যাকটিস করে যাচ্ছি।’ এদিকে অপু বিশ্বাস এরইমধ্যে প্রায় শেষ করেছেন দেবাশীষ বিশ্বাস পরিচালিত ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ-টু’ চলচ্চিত্রের কাজ। এই চলচ্চিত্রের বেশ কিছু দৃশ্য এবং গানের কাজ বাকি আছেও বলে জানান তিনি। এছাড়া শীঘ্রই তিনি শুরু করবেন রবিন খানের নির্দেশনায় ‘কানাগলি’ চলচ্চিত্রের কাজ। একই পরিচালকের নির্দেশনায় নাম ঠিক না হওয়া আরও একটি চলচ্চিত্রের কাজ করবেন তিনি। মিজানুর রহমান লাবুর নির্দেশনায় ‘দুলালের মুখ দেখি’ চলচ্চিত্রেও কাজ করার কথা রয়েছে তার। এদিকে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে তার মা শেফালী বিশ্বাসের দেখা হচ্ছে না বেশ কিছুদিন। অপু বলেন,‘ মা এখন বগুড়াতে আছেন। আমি দেশে ফিরলেই মা আসবেন ঢাকায়। মা’ এর সঙ্গে আমার ছেলে জয়েরও দেখা হচ্ছে না অনেকদিন। মা এবং জয়ের দুষ্টুমি আমার ভীষণ ভালো লাগে। তাদের সেসব দুষ্টুমি নিজের চোখে আমি পাশে বসে উপভোগ করি।’ অপু বিশ্বাস অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘পাঙ্কু জামাই’। এতে তার বিপরীতে ছিলেন শাকিব খান। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘কাল সকালে’। এটি ২০০৫ সালে মুক্তি পায়। ২০০৬ সালে তিনি ‘কোটি টাকার কাবিন’, ‘চাচ্চু’, ‘দাদী মা’, ‘পিতার আসন’, ‘কাবিন নামা’র মতো ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র দর্শককে উপহার দেন। এরপর টানা আট নয় বছর তিনি একাধারে এই দেশের চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়িকা হিসেবেই কাজ করে গেছেন।