গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শপথের দিন শুরু মোদির

image

মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি-এনডিটিভি

টানা দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৩০ মে বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছেন বিজেপি (ভারতীয় জনতা পার্টি) নেতা নরেন্দ্র মোদি। এদিন সন্ধ্যায় শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র ভোরেই দিল্লির রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল পরিদর্শনের মাধ্যমে দিনটি শুরু করেন তিনি। এনডিটিভি।

সংবাদ মাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় গান্ধী মেমোরিয়ালে উপস্থিত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় অবস্থান করেন মোদি। এরপর ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অটল বিহারি বাজপেয়ির সমাধিতে যান । গত ১৬ আগস্ট বাজপেয়ির মৃত্যুর পর ডিসেম্বরে তার পদ্ম ফুল আকৃতির সমাধিটি নির্মাণ করা হয়। সেখানে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সময় মোদির সঙ্গে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ্, রবি শঙ্কর প্রাসাদ, মেনেকা গান্ধী, স্মৃতি ইরানিসহ বিজেপি ও এনডিএ জোটের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর মোদি দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের কাছে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে যান। ওখানে বিভিন্ন যুদ্ধে ভারতের নিহত সৈন্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্যালুট জানান তিনি। ভারতের রাজধানীর এ তিনটি স্থানে মোদির ভ্রমণের সময় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বিভিন্ন স্থাপনা ও ভবনের ওপরে স্নাইপার মোতায়েন করা হয়েছিল বলে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই।

গত ১১ এপ্রিল সাত দফায় অনুষ্ঠিত ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ২৩ মে প্রকাশ করা হয়। বিপুল জয় নিয়ে আসে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য শপথ নেন মোদি। ভারতের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হবে।

অনুষ্ঠানে প্রায় আট হাজার আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটানের নেতারা উপস্থিত হন। বিশ্ব নেতাদের পর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজনৈতিক দলের নেতা, ব্যবসায়ী নেতা, কূটনীতিক, রাষ্ট্রদূত, যশস্বী ব্যক্তিবর্গ ও লোকসভার বিরোধীদলীয় সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে অনুষ্ঠানে কংগ্রেস দলীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী ও তার মা সোনিয়া গান্ধী উপস্থিত থাকবেন বলে কয়েকটি সূত্র এনডিটিভিকে জানায়। এদিকে দেশটির অন্য সংবাদ মাধ্যম পিটিআই জানিয়েছে, শপথ অনুষ্ঠান উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে অনুষ্ঠানস্থল ও সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে দিল্লি পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর ১০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়।