আপনি নির্বাচন পেছাতে পারেন না, ট্রাম্পকে রিপাবলিকান নেতারা

image

ট্রাম্পের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে রিপাবলিকান পার্টির দুই শীর্ষ নেতা বলেছেন, নির্বাচন পেছানোর সিদ্ধান্তের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে।

সিনেটে রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ ম্যাককনেল বলেছেন কখনোই মার্কিন নির্বাচন পেছানো হয়নি। ‘যুদ্ধ, মন্দা, গৃহযুদ্ধ - যেকোন পরিস্থিতে সময়মতই নির্বাচন হয়েছে।’

একই কথা উল্লেখ করে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভে রিপাবলিকানদের নেতা কেভিন ম্যাকার্থি বলেন, ‘এবারও আমাদের সুচী অনুযায়ী নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’

আর ট্রাম্পের ঘনিষ্ট সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ‘নির্বাচন পেছানো কোনো ভালো বুদ্ধি না।’

এর আগে ট্রাম্প ডাক ভোটের ফলে জালিয়াতি ও ত্রুটি হতে পারে অভিযোগ তুলে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পেছানোর পরামর্শ দেন।

১৯৩০ এর মহামন্দার পরে অর্থনীতি খুব খারাপ অবস্থায় - এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের পরই ট্রাম্পের নির্বাচন পেছানোর এই ধারণা প্রকাশ্যে এলো।

এই নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক মার্কিন নাগরিক ডাকে ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। করোনভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতেই তারা ডাকে ভোট দেবেন।

বিবিসি এক প্রতিবেদনে বলছে, ট্রাম্প বিরামহীনভাবে ডাকে ভোট বিষয়ে মিথ্যাচার করে চলেছেন। বড় আকারে ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা চলছে বলেও দাবি করে যাচ্ছেন তিনি।সমালোচকদের মতে এটা হলো ট্রাম্পের নির্বাচনী ফলাফল বয়কট করার পূর্বপ্রস্তুতি।

আগামী নভম্বরের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে তার ক্ষমতায় যতটুকু সম্ভব ততটাই কাজে লাগাতে চাইছেন ট্রাম্প।

দাবির পক্ষে জোরালো যুক্তি বা প্রমাণ না থাকলেও দীর্ঘদিন থেকেই ডাক ভোটের বিরোধিতা করে আসছেন ট্রাম্প।

কোনো সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না করলেও ভোটাররা ‘সঠিক, সুষ্ঠুভাবে ও নিরাপদে’ ভোট দিতে পারে এমন সময়ে নির্বাচন করার কথা বলেন তিনি।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য করোনার মধ্যে স্বাস্থ্য সতর্কতার কথা বিবেচনা করে ডাকে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া আরো সহজ করার কথা ভাবছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আইনে প্রেসিডেন্টের নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করার ক্ষমতা নেই।

নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের জন্য দ্বিকক্ষবিশিষ্ট কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দুই কক্ষের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই।

ধারাবাহিকভাবে টুইটবার্তায় ট্রাম্প বলছেন, ‘সবার জন্য চিঠিতে ভোট হলে নভেম্বরের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবচেয়ে ত্রুটিপূর্ণ ও জালিয়াতির ভোট। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুবই বিব্রতকর ব্যাপার হবে সেটা।’

কোনো যুক্তি না দিয়েই তিনি বলেন, এভাবে ভোট হলে বিদেশি হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাও থাকবে, জানিয়েছে বিবিসি।

তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটরা সবসময়ই বিদেশীশি হস্তক্ষেপের কথা বলেন, কিন্তু তারা জানে এটা হলেই বিদেশিরা এর মধ্যে ঢুকে পড়তে পারবে।

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যেখানেই ডাকে ভোট করার চেষ্টা করা হয়েছে, সেখানে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।’

প্রসঙ্গত গত জুন মাসে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী নির্বাচনে ডাকে ভোট নেওয়া হয়। কিন্তু সেই ভোটের ফলাফল আজও দেওয়া সম্ভব হয়নি।

তাছাড়া ঠিকঠাকভাবে পূরণ না করতে পারা এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই চিঠি পাঠিয়ে দেওয়ায় অনেক ভোটই বাতিল হয়েছে।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সাংবাদিকদের বলেন, আইনি বিষয়ে তিনি কোনো আগাম মন্তব্য করতে চান না। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে বিচার বিভাগ সিদ্ধান্ত দেবে।’

‘তবে আমরা এমন একটা পরিবেশে নির্বাচন চাই, যেখানে ভোটাররা আস্থা পাবে,’ বলেন পম্পেও।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারওম্যান এলেন ওয়েইনট্রব বলেন, ট্রাম্পের নির্বাচনের সময়সূচি বদলানোর ক্ষমতা নেই। তারিখ বদলানো উচিতও নয়।

বরং আমেরিকানরা প্রত্যাশা অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ বাড়িয়ে ভোটারদের আরো নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পক্ষে মত দেন তিনি।

ভূমধ্যসাগরে সামরিক উপস্থিতি বাড়াবে ফ্রান্স

image

একরে পর এক ভূমিকম্পে কাঁপছে ভারত

image

দুই হাজার বছর আগেও অস্ট্রেলিয়ায় কলা চাষ হয়েছে

image

ট্রাম্প দেশকে ‘বিভক্ত করেছেন’ : জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিস

ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন এবং তার সদ্য ঘোষিত রানিং মেট কমলা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একজন অযোগ্য নেতা হিসাবে উল্লেখ করে বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে

ম্যালেরিয়ার ‘এনজাইম’ সারাতে পারে করোনা : সমীক্ষা

image

সমুদ্রের তলায় আরও ১০ গুন এলাকা জুড়ে ছড়ানো তেল

image

বৈরুত বিস্ফোরণে ১৫০০ কোটি ডলারের ক্ষতি

image

জঙ্গিদের সুবিধা দিতেই সিরিয়ায় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা: আসাদ

image

গলছে ম্যানহাটনের চেয়েও বড় আইস শেল্ফ

image