এবার অবরুদ্ধ গাজায় করোনার হানা

image

ইসরায়েল অধীকৃত গাজায় শনিবার দুই ব্যক্তির শরীরে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে প্রতিরোধমূলক পোশাক পরিহিত দেশটির স্বাস্থ্য কর্মীরা গাজা শহরের বাজারে করোনা প্রতিরোধক ওষুধ ছিটাচ্ছেন-এপি

বিশ্বের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার খ্যাত গাজা উপত্যকায় দুই করোনা রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। ইসরায়েল অধীকৃত গাজার কর্তৃপক্ষের বরাতে ২২ মার্চ রোববার এ তথ্য জানা গেছে। আক্রান্ত দুই ব্যক্তি বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। মিডল ইস্ট আই ।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে সংবাদ মাধ্যমটি বলেছে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার পাকিস্তান থেকে ফেরার পর ওই দুই ব্যক্তির করোনা পরীক্ষা করা হয়। এর ফলাফলে তাদের শরীরে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কদর বলেছেন, এ দুই করোনা রোগী পুরুষ এবং তাদের বয়স যথাক্রমে ৩০ ও ৪০। বর্তমানে তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। এদিকে প্যালেস্টাইনের মুক্তি আন্দোলনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস উপকূলীয় এ উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর ২০০৭ সাল থেকে ইসরায়েল কর্তৃক অবরুদ্ধ গাজা। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, গাজায় করোনা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়লে সেখানে মারাত্মক বিপর্যয় নেমে আসবে। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ায় ঘনবসতিপূর্ণ উপত্যকাটিতে সেখানকার নাগরিকদের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করেছে ইসরায়েল ও মিসর। গাজা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে উপত্যকায় ২ হাজার ৭০০ জন নাগরিক হোম- কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই মিসর ভ্রমণ করে এসেছেন।