নির্বাচনের আগে ট্রাম্প মনোনীত বিচারপতি অ্যামির নিয়োগ চূড়ান্ত করেছে সিনেট

image

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র সপ্তাহখানের মতো বাকি। এর আগে ট্রাম্পের একটি বিজয়। বিচারপতি হিসেবে তার মনোনীত অ্যামি কোনি ব্যারেটকে সমর্থন দিয়েছে সিনেটের রিপাবলিকানরা। তাদের ভোটে চূড়ান্ত হলো তার নিয়োগ। সিএনএন জানিয়েছে সর্বশেষ খবর।

সিনেটে তার পক্ষে এসেছে ৫২ ভোট, বিপক্ষে গেছে ৪৮ ভোট। মেইনের রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স শুধু ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে ভোট দিয়েছেন এই মনোনয়নের বিরুদ্ধে। তার মতে, নির্বাচনের এত কাছাকাছি সময়ে এ নিয়োগে সমর্থন দেওয়া সম্ভব না। তবে বিচারপতি হিসেবে অ্যামির নিয়োগে উচ্চ আদালত দীর্ঘকালের জন্য আরো রক্ষণশীল নীতির দিকে ঝুঁকে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রীম কোর্টে ট্রাম্পের মনোনয়নে তিনজন বিচারক নিয়োগ পেলেন। এর ফলে সেখানে রক্ষণশীল বিধিবিধান অধিক গুরুত্ব পাওয়ার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প তার প্রচারণায় ঘোষণা দিয়েছিলেন এসব নিয়োগের মাধ্যমে তিনি সুপ্রীম কোর্টে পরিবর্তন আনবেন। সিনেটের ভোটে তার নিয়োগ চূড়ান্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউজের সবুজ চত্বরে রিপাবলিকান নেতাদের উপস্থিতিতে অ্যামির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। সেখানে অন্যান্যের মধ্যে রিপাবলিকান সিনেটর টেক্সাসের টেড ক্রুজ, ইউটাহর মাইক লি, ওকলাহোমার জেমস ল্যাঙ্কফোর্ড, উইসকনসিনের রন জনসন উপস্থিত ছিলেন।

করোনার জন্য পারস্পরিক দুরত্ব বজায় রেখেই অনু্ঠানে অংশ নেন তারা। তবে ট্রাম্প যেদিন মনোনয়ন ঘোষণা করেছিলেন সেদিন এভাবে মানা হয়নি করোনাকালীন নির্দেশনা। তার সেই অনুষ্ঠানটিকে করোনা ছড়ানোর একটা বড় উপলক্ষ বলা হয়ে থাকে।

যাই হোক, অ্যামির বয়স এখন ৪৮ বছর। যুক্তরাষ্ট্রে সুপ্রিমকার্টে বিচারকরা আজীবনের জন্য নিয়োগ পান। তার এই নিয়োগের মধ্য দিয়ে সুপ্রীম কোর্টের নয় বিচারকের মধ্যে রক্ষণশীলদের সংখ্যা উদারনৈতিকদের তুলনায় দ্বিগুণ হলো। রক্ষণশীল ৬ বিচারক আগামী দিনে অনেক বিষয়েই বড় ধরনের প্রভাব রাখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে, অ্যাফর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টসহ আগামী নির্বাচনের অনেক বিতর্কিত বিষয়ের মামলায় তাদের রায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সিনেটে রিপাবলিকানরা নির্বাচনের আগে ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করলো।

সম্প্রতি খ্যাতনামা বিচারক রুথ বেইডার জিন্সবার্গ মৃত্যুতে বিচারকের পদ খালি হলে অ্যামিকে মনোনীত করেন ট্রাম্প।