বিশ্বে জাতীয় নিরাপত্তা ও গুপ্তচরবৃত্তির ধরন বদলে দেবে করোনা!

image

একজন শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা সদ্য পাওয়া এক প্রতিবেদন নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে মিটিংরুমে ঢুকলেন। এসময় কী ধরনের বিপদের সংকেত তারা পাচ্ছেন, তা সামনে থাকা উদ্বিগ্ন রাজনীতিক ও নীতিনির্ধারকদের জানালেন। সাম্প্রতিক অতীতে, গোয়েন্দাদের কাছে এ ধরনের হুঁশিয়ার করার মতো প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু হয়েছে সন্ত্রাসবাদী হামলার ছক- নয়তো বা মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও থেকে জানা গেছে যে সন্ত্রাসীরা নতুন কায়দায় একটা বিমান হামলার ছক কাটছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘুরতে শুরু করেছে বহু পরীক্ষিত জাতীয় নিরাপত্তা যন্ত্রের চাকা। হামলা ঠেকাতে জাতীয় পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণে শুরু হয়েছে তৎপরতা।

বর্তমানে করোনাভাইরাস মহামারী নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, এমন প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতে এ চিত্রে অন্যরকম মাত্রা যোগ হতে যাচ্ছে বলে সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, এমন সম্ভাব্য সংকটে জাতীয় নিরাপত্তা ও গুপ্তচরবৃত্তির ধরন বদলে যাওয়ায় এখন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আনা প্রতিবেদনে হয়তো, বহু দূরের কোন দেশে একটা বিরল ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে- এমন বিপদ সংকেত থাকবে। এছাড়াও এমন প্রতিবেদন যে, ওই দেশের সরকার এ রোগ সংক্রমণের বিষয়টি লুকাচ্ছে।

বিবিসির সাম্প্রতিক এ প্রতিবেদন বলা হয়েছে, প্রায় ২০ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে জাতীয় নিরাপত্তার কেন্দ্রে চলে আসে সন্ত্রাসবাদের বিষয়টি। তবে এরপরেও নিরাপত্তা জগতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অনেকেই এমন যুক্তি দেখানোর চেষ্টা করেছেন, ‘নিরাপত্তার’ সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা উচিত। এখন বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট সংকটের পটভূমিতে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, জাতীয় নিরাপত্তার কেন্দ্রে বিবেচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত কিনা।

যুক্তরাজ্যে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে সর্বশেষ যখন পর্যালোচনা হয়, তখন আন্তর্জাতিক মহামারীকে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকিগুলোর তালিকায় শীর্ষে রাখার কথা বলা হয়। কিন্তু নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বা সম্পদ বরাদ্দের ক্ষেত্রে দেশটিতে তার কোন প্রতিফলন দেখা যায়নি। সেক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পেয়েছে সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধ এবং সাইবার হামলা।

কিন্তু অনেক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এখনকার অভিমত, তারা স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টিকে সমানভাবে অগ্রাধিকার দেবার যে পরামর্শ দিয়েছিলেন তা তখন রাজনীতিকরা কানে তোলেননি সে সময় বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ার করে বলেন, এ ক্ষেত্রে ‘লাল বাতির সতর্ক সঙ্কেত কিন্তু জ্বলতে শুরু করেছে।’

তবে এজন্য বিশ্বজুড়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এবং গুপ্তচরদের তাদের কাজ ও মানসিকতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। নীতি নির্ধারকদেরও অন্য দেশে স্বাস্থ্যখাতে পরিস্থিতি পরিবর্তনের বাস্তবতা বুঝতে পারতে হবে।

জৈব-ঝুঁকি : যুক্তরাজ্যে গোয়েন্দা সংস্থা এমআইসিক্স এবং যুক্তরাষ্ট্রে সিআইএর মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যারা গুপ্তচর হিসেবে মানুষ নিয়োগ করে থাকে, তাদেরও ভবিষ্যতে ভাবতে হবে ঠিক কোথায় তারা কী ধরনের কর্মী নিয়োগ করবে। বিশ^জুড়ে কোথায় কী ঘটছে সে বিষয়ে তারা ঠিকমতো তথ্য সরবরাহ করতে পারবে। গোয়েন্দারা যেভাবে আড়ি পেতে কথাবার্তা শোনে তার ধরনও যাবে বদলে। কারণ তাদের ঠিক করতে হবে তারা কী ধরনের তথ্য শুনতে চাইছে। এছাড়াও উপগ্রহ বা অন্য ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি করা হয়, সেগুলোকেও হয়তো তথ্য সংগ্রহ করার জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কবরস্থান, শ্মশান এসব জায়গায় কাজে লাগানো হবে।

পারমাণু বস্তুর নিশানা পাওয়ার জন্য দূর নিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব জিনিসের ‘গন্ধ শোকার’ যেসব কৌশল বর্তমানে রয়েছে, এখন তার সঙ্গে যুক্ত করা হবে স্বাস্থ্য ও জৈব-ঝুঁকি খোঁজার কৌশল। তবে এসবই করা হবে মূলত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের চিরাচরিত প্রথা মেনে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স : ভবিষ্যতে আসল পরিবর্তন আমরা দেখব আরও জটিল তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও। যেমন একটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে কোন ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে কিনা, তা বুঝতে বা খুঁজতে ব্যবহার করা হবে প্রযুক্তিগত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)।

ফোনে সংরক্ষিত তথ্যভাণ্ডার (ফোনের মেটাডেটা), অনলাইনে ফোন ব্যবহারকারী কী খুঁজছে বা কী করছে সেসব তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা হতে পারে। চার বছর আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর ডিজিটাল প্রযুক্তি উদ্ভাবন বিভাগের পরিচালক বলেন, তারা এআই এবং ‘আবেগ-অনুভূতি বিশ্লেষণ’ এর মত পদ্ধতি ব্যবহার করে একটা পুরো দেশের জনগোষ্ঠী পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে কী ধরনের কাজ করছেন। তাদের কাজের লক্ষ্যটা ছিল মূলত কোন একটা ঘটনা ঘটার আগে সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে আঁচ পাওয়া- যেমন কোথাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে কিনা অথবা কোথাও একটা বিপ্লব হতে যাচ্ছে কিনা।

বর্তমান বিশে^ প্রযুক্তিগত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আর চীনের মধ্যে ইতোমধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতা চলছে। ওয়াশিংটনে অনেকেরই আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র এ প্রতিযোগিতায় চীনের কাছে হয়তো হেরে যাবে। কারণ চীন ইতোমধ্যেই তথ্য সংগ্রহ এবং তাদের প্রযুক্তি উন্নয়নে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছে।

ভবিষ্যতের তথ্য আদান-প্রদান : তবে যে বিষয়টি এখনও অজানা সেটা হলো, করোনাভাইরাস মহামারীর মতো ভবিষ্যত মহামারী সম্পর্কে তথ্য আদান-প্রদানে দেশগুলো পরস্পরের সঙ্গে কী ধরনের সহযোগিতা করবে। কোভিড-১৯ সংক্রমণের বিস্তার ঠেকানোর বিষয়ে দেখা গেছে, বিশে^র বিভিন্ন দেশগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশগুলো তাদের গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করার বিষয়ে কতটা খোলামেলা আচরণ করবে। নাকি সেক্ষেত্রে তাদের জাতীয়তাবাদী মনোভাব প্রাধান্য পাবে সেগুলো এখনও অনিশ্চিত।

এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না, এরকম ঘটনা ঘটলে ভবিষ্যতে দেশগুলো তাদের সীমানা বন্ধ করে দিয়ে অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে সমস্যা মোকাবিলা করবে। তখন তারা হয় তো অন্য দেশ কীভাবে এ সংকট মোকাবিলা করছে, তা অনুসরণ করে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি কেন্দ্রীভূত করবে। এমন পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ওই দেশগুলো তাদের তথ্য লুকাচ্ছে কিনা, কিংবা তারা নতুন গবেষণায় সমাধান পেয়েছে কিনা সেসব জানবে।

জীবাণু সংক্রান্ত গোয়েন্দাগিরি : বিশ^জুড়ে ‘জীবাণু গোয়েন্দাগিরি’র ইতিহাস অনেকদিনের। শীতল যুদ্ধের সময় প্রতিপক্ষ কোন গোপন জীবাণু বা স্নায়ু বিকল করার উপাদান (নার্ভ এজেন্ট) তৈরি করছে কিনা, পাশ্চাত্যের দেশগুলো ও সোভিয়েত ইউনিয়ন তা জানার আপ্রাণ চেষ্টা করত। ভবিষ্যতে হয়তো এ গোয়েন্দাগিরিতে মারণাস্ত্র তৈরির দিকে নয়, বরং জানার চেষ্টা হবে কে কোন ধরনের টিকা তৈরি করছে তার ওপর জোর দেয়া হবে।

অনেকদিন থেকেই মানুষের একটা আশঙ্কা ছিল, সন্ত্রাসীরা বা কোন গোষ্ঠী হয়তো যে কোন সময় জীবাণু অস্ত্র ছেড়ে দিতে পারে। বর্তমান করোনা সংকটের পর এ ধারণা আরও বদ্ধমূল হবে। কারণ ইতোমধ্যেই এমন কিছু আভাস পাওয়া গেছে যে, কোন কোন চরম ডানপন্থি গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে ভাইরাস ছড়ানোর কথা ভেবেছে। তবে মার্কিন বিচার বিভাগ বলেছে, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী তৎপরতার অভিযোগ আনা যাবে।

বর্তমান করোনাভাইরাস সংকটের পর একটা প্রশ্ন সামনে আসতে পারে- যেসব দেশের অভ্যন্তরীণ নজরদারি ব্যবস্থা উন্নত তারা এ ধরনের ভাইরাসের বিস্তার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে কতটা আগ্রহী বা উদ্যোগী হবে। যে তথ্য মানুষের চলাচল সীমিত করে এর আরও ব্যাপক বিস্তার ঠেকাতে কাজে লাগবে। এক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো, স্বাস্থ্য নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা নজরদারির জন্য দেশগুলোর ওপর ভবিষ্যতে দেশের ভেতরে যেমন, তেমনি বাইরে আন্তর্জাতিক পরিসরে চাপ বাড়বে।

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে চীন স্মার্টফোনের ওপর নজরদারির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার দিয়ে ইতোমধ্যেই একাজ করেছে। রাশিয়া সিসিটিভি এবং মুখ চেনার পদ্ধতি ব্যবহার করে নিষেধাজ্ঞা লংঘনকারীদের ধরেছে। অন্য অনেক দেশ ‘ইলেকট্রনিক বেড়া’ তৈরি করেছে যার মাধ্যমে তারা কোয়ারেন্টিন ভেঙে যারা চলে গেছে তাদের সম্পর্কে অন্য দেশের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করেছে। আর যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন প্রযুক্তি সংস্থার সঙ্গে কী করা সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। কিন্তু নাগরিকের স্বাধীনতা নিয়ে যারা কাজ করে তারা এ ধরনের পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা মনে করেন, ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার যৌক্তিক হলেও, এ প্রযুক্তি হাতের কাছে থাকলে অন্য সময়ে কোন দেশ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তা ব্যবহার করতে পারবে।

এছাড়াও ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য সংগৃহীত গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করার জন্য যথাযথ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীরও প্রয়োজন পড়বে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি কাজ করতে হবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরও। অপরদিকে সংগ্রহ করা তথ্যের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ রাজনীতিকদের কাছে কোনধরনের ‘নিরাপত্তার’ আলোকে উপস্থাপন করা হবে সেটা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।

পরিশেষে, বর্তমানে করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের জ্ন্য এ মুহূর্তে বড় প্রশ্ন-এ সংক্রমণের ধাক্কা সরকারের প্রশাসন ও তার সামরিক শক্তিকে কতটা দুর্বল করে দিতে পারে এবং তার থেকে কে কোনদিক দিয়ে কী ধরনের সুযোগ নিতে পারে। কিছু গোয়েন্দা সংস্থা এ ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে ইতোমধ্যেই কিছু কাজ করছে। জানা গেছে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এক অভিযান চালিয়ে এক লাখ ‘টেস্টিং কিট’ বিদেশ থেকে আনিয়েছে। কিন্তু পরীক্ষার জন্য অন্য প্রয়োজনীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ সেখানে নেই। মার্কিন গোয়েন্দারা গত জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারিতে এ ভাইরাস সম্পর্কে গোপন কিছু তথ্য নীতিনির্ধারকদের হাতে তুলে দিয়েছেন। চীন থেকে সংগ্রহ করা সেসব তথ্যে এ ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে ইঙ্গিত করা হয়। কিন্তু খবরে জানা যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দফতর হোয়াইট হাউজ কর্তৃপক্ষ সেসব হুঁশিয়ারি আমলে নেয়নি।

ফলে একটা বিষয় থেকেই যায়, গোয়েন্দারা যতই গোপন তথ্য সরবরাহ করুক না কেন, ক্ষমতার শীর্ষে যারা রয়েছেন তারা এসব তথ্য কতটা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছেন এবং তা কাজে লাগাচ্ছে কিনা-তার ওপরই নির্ভর করে এসব তথ্য শেষ পর্যন্ত মানুষের কতটা উপকারে আসবে।

লকডাউন দ্রুত তোলায় মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা

image

ট্রাম্পের গেমচেঞ্জার ওষুধ ব্যবহারে ডব্লিউএইচও-এর নিষেধাজ্ঞা

image

করাচিতে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার

পাকিস্তানের করাচিতে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে এই ডাটা রেকর্ডার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স

ঈদে দেশব্যাপী লকডাউন চলছে তুরস্কে

image

দক্ষিণ সুদানের ১০ মন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

image

করোনার ৬ ভ্যাকসিন গণহারে পরীক্ষা করছে যুক্তরাষ্ট্র

image

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে আগামীকাল ঈদ

image

করোনার টিকা পেতে প্রতিযোগিতায় বিশ্ব নেতারা

image

করাচিতে আবাসিক এলাকায় বিমান বিধ্বস্ত: বহু হতাহতের আশঙ্কা

image