সুস্থ হয়ে উঠেছেন করোনার লাখো রোগী

image

বৈশ্বিক মহামারীতে রূপ নেয়া নভেল করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত যত মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন, তার এক-তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যে সেরেও উঠেছেন। ইউরোপের বিপর্যস্ত দেশ ইতালিতে মৃতের সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে কমেছে। সংক্রমণ ঘটার পর দক্ষিণ কোরিয়ায়ও একদিনে সর্বনিম্ন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। স্থিতিশীল রয়েছে চীনের পরিস্থিতিও। তবে ভিন্ন চিত্র যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলাদেশেও একদিনে রোগী বেড়েছে ছয়জন, যা একদিনে সর্বোচ্চ। নতুন করোনাভাইরাসে কোভিড-১৯ রোগের বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ২৩ মার্চ সোমবার রাতে সর্বশেষ যে তথ্য জানিয়েছে, তাতে এমন চিত্রের দেখা মেলে। এ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার নাগাদ বিশ্বের ১৬৮টি দেশ ও অঞ্চলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৪৫৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লাখ ৮৫ জন। বিশ্বে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৩৮১। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরের একেবারে শেষ দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম নতুন ধরনের এ করোনাভাইরাসের সংক্রমণে ঘটে। অন্য প্রদেশগুলোতে দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়ার পর ভিন্ন দেশেও ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়। তখন এ ভাইরাসের নাম দেয়া হয় নভেল করোনাভাইরাস। এর ফলে সৃষ্ট রোগ নাম পায় কোভিড-১৯। যার লক্ষণ জ্বর, মাথাব্যথা ও শ্বাসজনিত সমস্যা। রোগের নাম ‘কোভিড-১৯’ নতুন করোনাভাইরাস আসলে ছড়াল কীভাবে? নতুন করোনাভাইরাসের ঠিকুজি তালাশ।