গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অ্যামচ্যাম ফ্রন্টলাইন জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ড

image

করোনা মহামারীর কঠিন সময়ে সম্মুখসারিতে দায়িত্ব পালনকারী গণমাধ্যমকর্মীদেরকে ‘অ্যামচ্যাম ফ্রন্টলাইন জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ড’ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে দি আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম)। মাস্টহেড পিআরের সাথে যৌথভাবে আয়োজিত এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো- করোনা মহামারীর এই কঠিন সময়ে যেসব সংবাদকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, তাদেরকে স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদান করা।

করোনা মহামারীর কারণে সারা বিশে^ই সংবাদকর্মীরা- বিশেষত: যারা মাঠে থেকে কাজ করছেন, তাদেরকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিসহ নানান ধরণের ঝুঁকির মধ্যেই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এরপরও তারা দমে না গিয়ে গুজব এবং আতঙ্ক যেন সমাজে ছড়িয়ে না পড়ে, সেলক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি করোনা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সরকারকেও সহায়তা করে যাচ্ছেন।

দ্রুত ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে অনলাইনে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্যোগটির ঘোষণা দেয়া হয়। তথ্যমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সম্মানিত অতিথি (গেস্ট অব অনার) হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন জোয়ান ওয়গনার। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অ্যামচ্যামের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এরশাদ আহমেদ। অ্যামচ্যাম সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মাস্টহেড পিআরের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ. ই জিয়াউদ্দিন আদিল, অ্যামচ্যামের নির্বাহী কমিটির সদস্য শওকত আলী প্রমুখ।

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ক্রমশ বিশ^ময় ছড়িয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত এতে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশে^র অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। কঠিন এই পরিস্থিতির মধ্যেও সাংবাদিকরা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখসারিতে কাজ করে যাচ্ছেন এবং করোনা মহামারী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ও মতামত তুলে ধরছেন। তাদের এই কর্মকা- সাধারণ মানুষকে যেমন সচেতন করে তুলছে, তেমনি সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকেও নানাভাবে সহায়তা করছে।

বাংলাদেশের স্বীকৃত জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতে কর্মরত যেকোনো সাংবাদিক এবং টিভি ক্যামেরাপার্সন তাদের মহামারী সম্পর্কিত সাধারণ ও বাণিজ্য প্রতিবেদন জমা দিতে পারবেন। তবে প্রতিবেদনে অবশ্যই দু’টি বিষয়ে আলোকপাত থাকতে হবে। বিষয় দু’টি যথাক্রমে-করোনা মহামারীর ফলে মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর প্রভাব, এবং ব্যবসার ওপর প্রভাব। শর্তাবলী মেনে, গত ১ মার্চ থেকে শুরু করে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে প্রচারিত/ প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া যাবে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর।