জিপিএ ৫ এর প্রতিযোগিতায় ম্লান হচ্ছে শৈশব-কৈশোর : ডিআরইউ’তে শিক্ষামন্ত্রী

image

পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সংবর্ধনা দিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। এই শিক্ষার্থীদের সবাই ডিআরইউ সদস্যদের সন্তান। ২ এপ্রিল মঙ্গলবার ডিআরইউ-এর সাগর-রুনী মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘পিইসি (প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী) ও জেএসসির ফল নিয়ে অভিভাবকরা প্রতিযোগিতায় নামেন। জিপিএ-৫ এর প্রতিযোগিতায় শৈশব ও কৈশোর ম্লান হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। তা আমাদের ফিরিয়ে আনতে হবে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা করতে হবে আনন্দের মধ্য দিয়ে। গত ১০ বছরে শিক্ষা অনেক দূর এগিয়েছে। এখন মানের দিকে নজর দিতে হবে। শিশুরা কতটুকু শিখতে পারছে, জানতে পারছে তা দেখতে হবে।’

চলমান এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এই পরীক্ষা আমার জন্যও পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ না হলে স্বস্তি নেই। আশা করি কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই পরীক্ষা শেষ হবে।’

পরীক্ষায় কোনো প্রশ্ন ফাঁস হবে না-এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘কোনো কোনো অভিভাবক ও শিক্ষার্থী পড়াশোনা না করে প্রশ্ন ফাঁসের অপেক্ষায় থাকেন, এটা খুবই লজ্জার।’

ডিআরইউ সভাপতি ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা টাইমসের সম্পাদক আরিফুর রহমান, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক কবির আহমেদ খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিআরইউ সাংগাঠনিক সম্পাদক আফজাল বারী। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অনুভুতি ব্যক্ত করেন উম্মে রুবাবা তুসি ও হিমেল।

শিক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকে মা ও ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন জেএসসি উর্ত্তীর্ণ সুপ্রভা শোভা। সে অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলে, ‘খুবই ভালো লাগছে। ভবিষ্যতে আরো ভালো করার জন্য অনুপ্রাণিত হলাম।’

ভবিষ্যতে কী হতে চাও সে প্রশ্নের জবাবে শোভা বলে, ‘আমি ডাক্তার এবং রাজনীতিবিদ হতে চায়। কারন ডাক্তার হয়ে যেমন মানুষের সেবা করতে পারবো, তেমনি রাজনীতিবিদ হয়ে সমাজের সকল সমস্যায় ভুমিকা রাখতে পারবো।’