বিচারকের বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের বিচার দাবি করে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

image

শারীরিক ও মানসিক নির্যাতেনর অভিযোগে নড়াইলের সহকারী জজ মো. রহমত আলী রাজুর বিচার দাবি করলেন তার স্ত্রী রাবেয়া খাতুন লাবনী। ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লাবনী এ দাবি জানান। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের ৬ জুন তার সঙ্গে রহমত আলীর বিয়ে হয়। তখন রাজু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। ২০১৮ সালে রাজু সহকারী জজ হন। পরে লাবনীকে তার বাবার কাছ থেকে ঢাকায় ফ্ল্যাট কেনার জন্য ৩০ লাখ টাকা যৌতুক এনে দিতে চাপ দেন রাজু। বিষয়টি লাবনী নড়াইল জজশিপে মৌখিকভাবে জানালে তাকে রহমত আলী বাসা থেকে তাড়িয়ে দেন। লাবনী বাধ্য হয়ে খুলনায় বাবার বাড়িতে চলে আসেন। গত ২১ জুন রাজু লাবনীর বাবার বাড়িতে গিয়ে একইভাবে যৌতুক দাবি করেন। এ অভিযোগে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় আদালতে মামলা করা হয়। সহকারী জজ রহমত আলী রাজু গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার গোবিন্দপুর গ্রামের মো. নওশের আলীর ছেলে।

লাবনী আরো বলেন, রাজুর বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে মামলা হয়েছে। তার স্ত্রী রাবেয়া খাতুন লাবনী গত ১ অগস্ট বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এছাড়া আইনমন্ত্রী ও সুপ্রীম কোর্টে ও অভিযোগ দিয়েছেন। বর্তমানে লাবনী ও তার শিশু কন্যাকে দেখভাল না করে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন ওই সহকারি জজ। এ অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়া ও ওই জজের বিচার দাবি করেছেন লাবনী।