সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে সমতাভিত্তিক বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার আহ্বান স্পিকারের

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী মস্কোয় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ‘ইন্টার-পার্লামেন্টারী কো-অপারেশন: প্রিন্সিপালস, ট্রেন্ডস এন্ড ইনস্টিটিউট’ শীর্ষক সেশনে বক্তৃতা করেন। ছবি : জাতীয় সংসদ

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে সমতাভিত্তিক বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় সংসদ সদস্যদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। ২ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাশিয়ার মস্কোয় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ‘দ্য স্টেট দুমা অব দ্য ফেডারেল এসেম্বলি অব দ্য রাশিয়ান ফেডারেশন’ আয়োজিত দ্য সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ‘ডেভেলপমেন্ট অব পার্লামেন্টারিজম-২০১৯’ এর দুদিনব্যাপী কনফারেন্সে ‘ইন্টার-পার্লামেন্টারী কো-অপারেশন: প্রিন্সিপালস, ট্রেন্ডস এন্ড ইনস্টিটিউট’ শীর্ষক সেশনে বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

দ্য স্টেট দুমা অব দ্য ফেডারেল এসেম্বলি অব দ্য রাশিয়ান ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ভায়েস্লাভ ভলডিন’র সভাপতিত্বে সেশনে মডারেটর ছিলেন দুমার ডেপুটি স্পিকার পিতর টলস্টয়। এতে মরক্কো, কোরিয়া, ইরানসহ অন্যান্য দেশের পার্লামেন্টের স্পিকারা বক্তব্য রাখেন। সেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য একাদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শামসুল হক টুকু, সংসদ সস্য মো. জিল্লুল হাকিম এবং অন্যান্য দেশের অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্পিকার বলেন, জনগণের অধিকার সুরক্ষায় বিশ্বের সব রাজনীতিবিদদের একই ভাষায় সোচ্চার হতে হবে। এ রাজনীতির অভিন্ন রূপ হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমতা ও শান্তির ভিত্তিতে কল্যাণময় বিশ্ব প্রতিষ্ঠা করা। তিনি বলেন, দারিদ্র দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা, শরণার্থী, অভিবাসন সমস্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা সমস্যা পৃথক পৃথক রাষ্ট্রীয় সীমারেখায় আবদ্ধ। এসব সমস্যা সমাধানে সংসদীয় কূটনীতি একটি শক্তিশালী মাধ্যম বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্পিকার বলেন, একাত্তরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভের পরপরই বাংলাদেশ আইপিইউ, সিপিএ, পিইউআইসিসহ আন্তঃসংসদীয় বিভিন্ন ফোরামের সদস্য হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, সমতাভিত্তিক অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মৌলিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।