অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সমন্বয়ের আশ্বাস বিদ্যুৎ বিভাগের

image

দেশে চলামান করোনা দুর্যোগে সংক্রমণ এড়াতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার দেখে নয়, অনুমানের ওপর নির্ভর করে বিদ্যুৎ বিল করা হচ্ছে জানিয়ে তা নিয়ে গ্রাহকদের বিচলিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। পরবর্তীতে মিটার দেখে এই বিলের সঙ্গে ব্যবহৃত বিদ্যুতের মূল্যের হেরফের হলে তা সমন্বয় করা হবে এবং গ্রাহক কোনরূপ ক্ষতির মুখে পড়বে না বলে আশ্বাস দেয়া হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) বিদ্যুৎ বিভাগের এক বার্তায় এ আশ্বাস দেয়া হয়।

দেশের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা এপ্রিলে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আসা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হয়েছে। গণমাধ্যমেও এ বিষয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। সার্বিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ বিভাগের তরফ থেকে গ্রাহকদের এই বার্তা দেওয়া হল।

শনিবার বিদ্যুৎ বিভাগের বার্তায় বলা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোনো কোনো গ্রাহকের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। প্রকৃত বিষয়টি হচ্ছে চলমান কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে গ্রাহকের মিটারের কাছে গিয়ে মিটার দেখে বিল তৈরি করা হচ্ছে না। দেশের বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বাধ্যবাধকতার ফলে গ্রাহক ও বিদ্যুৎ কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের আগের মাসের অথবা পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের বিলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রাক্বলিত বিল প্রদান করা হচ্ছে। বিষয়টি ‘যথা সময়ে’ সমন্বয় করা হবে এবং গ্রাহক কোনো ধরণের ক্ষতির মুখে পড়বেন না বলে আশ্বস্ত করা হয় বার্তায়।

বিদ্যুৎ বিভাগের বার্তায় আরও বলেছে, প্রাক্কলিত বিলের সঙ্গে গ্রাহকের প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ কম বা বেশি অথবা কোনো অসামঞ্জস্য পরিলক্ষিত হলে পরবর্তী মাসের বিলের সঙ্গে তা সমন্বয় করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ব্যবহৃত বিদ্যুতের বেশি বিল গ্রাহককে পরিশোধ করতে হবে না।

উল্লেখ্য, সরকার ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গ্রাহকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে গত ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব মাসুল মওকুফ করেছে। ফলে কোন প্রকার বিলম্ব মাসুল ছাড়াই এই তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল আগামী ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করা যাবে।