জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস আজ

image

জ্বালানি নিরাপত্তায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পথ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সরকারগুলো বঙ্গবন্ধুর নীতি থেকে সরে এসেছিল। বঙ্গবন্ধু বিদেশিদের কাছ থেকে গ্যাস ক্ষেত্র কিনে নিয়েছিলেন। অন্যদিকে এখন বাড়ছে আমদানি আর বিদেশ নির্ভরতা।এই প্রেক্ষাপটে আজ রোববার পালিত হচ্ছে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস।

সপরিবারে নিহত হওয়ার মাত্র ছয় দিন আগে ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট বহুজাতিক কোম্পানি শেল ওয়েলের কাছ থেকে চার দশমিক ৫ মিলিয়ন পাউন্ডে তিতাস, রশিদপুর, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ এবং কৈলাসটিলা গ্যাস ক্ষেত্র কিনে নেন বঙ্গবন্ধু। এতে ক্ষেত্রগুলোতে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের জ্বালানি খাতে এই সিদ্ধান্তকে সবচেয়ে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিবছর ৯ আগস্ট জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস পালন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও দিবসটি পালন করতে যাচ্ছে সরকার। এবছর জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, সাশ্রয়ী জ্বালানির প্রাধিকার।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২০১০ সালের ১২ আগস্ট এক পরিপত্রে ৯ আগস্টকে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর এই দিন সরকার জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

শেল ওয়েলের কাছ থেকে যে ৯টি গ্যাসক্ষেত্র কেনা হয়েছিল সেগুলো থেকেই বেশিরভাগ গ্যাসের যোগান আসে। বহুজাতিক কোম্পানির তেল গ্যাস অনুসন্ধানের আগ পর্যন্ত এই ক্ষেত্রগুলো থেকেই দেশের গ্যাসের পুরো চাহিদা মিটতো। কিন্তু এরপর রাষ্ট্রীয় অনুসন্ধান উত্তোলন কোথাও এমন দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।