নতুন সড়ক আইন প্রয়োগ আরও ৭দিন পর : কাদের

image

সড়ক পরিবহনের নতুন আইন কার্যকর করার সময় আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কার্যালয়ে সড়ক পরিবহনের নতুন আইন কার্যকর নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সড়ক আইন প্রয়োগে বিলম্বের কারণ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বেটার লেট দ্যান নেভার’। এর আগে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা তৈরিতে বিআরটিএ’র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন ওবায়দুল কাদের।

সড়ক আইন প্রয়োগে বিলম্বের কারণ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বেটার লেট দ্যান নেভার’। আইনটি এখন প্রায়োগিক পর্যায়ে চলে এসেছে। সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ‘অ্যালাইনড’ করা হয়েছে। এখন আমরা প্রয়োগে যাওয়ার পর্যায়ে রয়েছি। আইনের বিধি প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে। তিনি বলেন, এই আইন প্রয়োগের শুরুতে এক সপ্তাহ সময় বাড়ানো হয়েছিল সচেতনতা সৃষ্টির জন্য। এবার আরও এক সপ্তাহ সময় একই কারণে বাড়ানো হলো। এরপর থেকে কঠোরভাবে আইন বাস্তবায়নে কাজ করা হবে। কঠিন আইন বাস্তবায়ন করলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে জানিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে। এই কথা সবার মেনে নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, নগরে সড়কে ফুটপাতে, পার্কিংয়ে শৃঙ্খলা আনতে দেশের দুটি সিটি কর্পোরেশন কাজ শুরু করলেও ডেঙ্গুর প্রকোপের কারণে তাতে কিছুটা ভাটা পড়েছিল। তার পরে আমরা কাজ এগিয়ে নিয়েছি তা বাস্তবায়নের পথে। এরই মধ্যে যেসব ড্রাইভারের লাইসেন্স নেই তারা লাইসেন্স করার জন্য ভিড় করছে। বিআরটিএ এর চেয়ারম্যানকে কোনো অপকর্মের ছাড় না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতি মুক্ত করতে যা করার দরকার তাই করা হবে। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ছাড় না দিয়ে বাদ দিতে হবে। বিআরটিএ’র ভেতরেও দালাল আছে। তা না থাকলে বাইরের দালাল থাকে কি ভাবে? তাদেরকেও সরিয়ে দিতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগে কোন অনুপ্রবেশকারী স্থান পাবেনা, অনুপ্রবেশকারীদের দল থেকে তাড়াতে আওয়ামী লীগ সচেষ্ট আছে। অন্য দলের (বিএনপির) ভেতরে কী হচ্ছে বা কেউ বের হয়ে গেল কিনা তা দেখার সময় নেই আওয়ামী লীগের নেই। অন্য দল নিয়ে এখন ভাবছি না। দেশে যেসব রাষ্ট্রদূত আছেন, বিকেলে তাদের সঙ্গে কথা হবে। বিএনপি কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে নালিশ করে, অভিযোগ করে, কী অভিযোগ করেছে, সে কথা আমাদের শুনতে বলে।