বর্ণিল আয়োজন পরিহার জন্মাষ্টমী-দুর্গোৎসবে

image

করোনা মহামারির কারণে ফিকে হচ্ছে জন্মাষ্টমী ও দুর্গোৎসবের বর্ণিল আয়োজন। থাকবে না আলোর রোশনাই। সেই সঙ্গে থাকবে না সমাবেশ, শোভাযাত্রা, মিছিল, মেলা, আরতি প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো আনুষঙ্গিক আয়োজনও। ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজা-অর্চনা আর মন্দির প্রাঙ্গণেই সীমাবদ্ধ থাকবে সব আয়োজন।

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে শনিবার মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জী। উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট কিশোর রঞ্জন ম-ল, বাবুল দেবনাথ, এডভোকেট তাপস কুমার পাল প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, আগামী ১১ আগস্ট হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম উৎসব জন্মাষ্টমীও সীমিত পরিসরে উদযাপিত হবে। সকাল ৮টায় করোনা থেকে মুক্তি এবং দেশ, জাতি ও বিশ্ব মঙ্গল কামনায় গীতাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে ও রাতে শ্রীকৃষ্ণ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। কোনো প্রকার সমাবেশ, শোভাযাত্রা ও মিছিল করা হবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মন্দির প্রাঙ্গণে পূজা অনুষ্ঠান ও সব আচারবিধি পালন করা যাবে। ১৭ সেপ্টেম্বর মহালয়া এবং ২২ অক্টোবর থেকে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। মহালয়া অনুষ্ঠানও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে করা হবে।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করে পূজার অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে পূজার উৎসব সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যথা আলোকসজ্জা, সাজসজ্জা, মেলার আয়োজন করা, আরতি প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন না করার বিষয়ে মানসিক প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া যেসব ক্ষেত্রে খোলা জায়গায় অস্থায়ী প্যান্ডেলে দুর্গাপূজা করা হয় অনুমোদন সাপেক্ষে সেসব ক্ষেত্রে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি পরিপূর্ণভাবে মেনে পূজা করতে পারা যাবে কিনা সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সার্বিক বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনা দেয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।