বৃদ্ধি পাওয়া জরিমানা ও সাজার পরিমান বাড়াবে আইন মানার প্রবনতা : ডিএমপি কমিশনার

image

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, গেজেট পাশের মাধ্যমে নতুন সড়ক পরিবহন আইন গত ১ নভেম্বর থেকে বাস্তবায়িত হয়েছে। এই আইনের উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে জরিমানা ও সাজার পরিমান বৃদ্ধি পাওয়া। এর ফলে সবার মধ্যে আইন মানার প্রবনতা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। পাশাপাশি এই আইন প্রয়োগ শুরু হওয়ার পরে ট্রাফিক পুলিশের কেউ যদি কোনো ধরনের অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। সব কিছু মনিটর করা হবে সার্জেন্টদের শরীরে থাকা বডি অন ক্যামেরায়। ৪ নভেম্বর সোমবার সকাল ১১টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ প্রয়োগ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন এক সপ্তাহ কোনো মামলা দেয়া যাবেনা। আমরাও এই সময়ে মামলা না দিয়ে মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্নভাবে সবাইকে সচেন করার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি যেহেতু নতুন আইনে পুরনো আইনের সব ধারা পরিবর্তন হয়ে গেছে, এজন্য ডিএমপির ৮০০ কর্মকর্তাকে নতুন আইন সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সব কর্মকর্তাকে এক মাসের মধ্যে নতুন আইনের ধারাগুলো সম্পর্কে পরীক্ষা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সার্ভার আপডেড করতে পস মেশিনে মামলা নেয়ার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রথম দিন থেকে স্লিপ রশিদের মাধ্যমে মামলা নেয়া শুরু হবে। প্রথমে কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাকে সামান্য পরিমাণ জরিমানা করে সতর্ক করা হবে। পরবর্তীতে তার সম্পূর্ণ সাজা ভোগ করতে হবে। তবে, মামলায় আপিল করার সুযোগ থাকবে। চালকদের ক্ষেত্রে আইনভঙ্গে পয়েন্ট সিস্টেম চালু করা হবে। পয়েন্ট বাড়তে থাকলে এক পর্যায়ে তার লাইসেন্স বাতিল হবে।

তিনি আর নতুন লাইসেন্স পাবেন না। হেল্পারদেরও লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে। যাত্রীদের আনা হবে বীমার আওতায়। রাজধানীর সব জায়গায় ফুটওভার ব্রীজ, আন্ডার পাস ও জেব্রা ক্রসিং না থাকায় পথচারীদের বিষয়ে কিভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে ডিএমপি প্রধান বলেন, যে সব জায়গায় ওই ব্যবস্থাগুলো নেই সেখানে ট্রাফিক পুলিশ পথচারীদের পার করে দিবে। কিন্তু সব ব্যবস্থা থাকার পরেও যদি কেউ আইন অমান্য করে তাহলে তাকে সাজার আওতায় আসতেই হবে।