শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের আর্থসামাজিক সব সূচক এখন সুদৃঢ় : স্পিকার

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সব সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সুদৃঢ়। ১৬ জুন রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে ১৩তম ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস অব চায়না’র (এনপিসি) স্ট্যান্ডিং কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ফর ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর প্রেসিডেন্ট জি বিংজুয়ানের নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎকারে স্পিকার এসব কথা বলেন।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং ঝুও এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে তারা দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বাংলাদেশের অবকাঠামোগত ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, বাণিজ্য প্রসার, সিল্করোড কানেক্টিভিটি স্থাপন ও সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পরে প্রতিনিধি দল একাদশ জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

স্পিকার বলেন, বিগত কয়েক বছর ধারাবাহিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৮ শতাংশ। সরকার তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার চীন। তিনি বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ করে ১শ’টি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, হাইটেক পার্ক ও তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চীনকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

জি বিংজুয়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুণ ও জনগণের প্রতি ভালোবাসার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে গত দুই মেয়াদে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা উন্নয়নকে তরান্বিত করেছে, যা প্রশংসনীয়। বাংলাদেশকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। জি বিংজুয়ান বলেন, সিল্করোড কার্যকরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং চীনের সঙ্গে যোগাযোগ সহজতর হবে। এর ফলে এ অঞ্চলের মধ্যকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে।