সাহেদ ও ডা. সাবরিনার বিচার দাবি করেছে একাত্তরে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি

image

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ও ডাঃ সাবরিনার মতো ভয়ঙ্কর অপরাধীর বিচার দাবি জানিয়েছেন একাত্তরে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। মেডিকেল মাফিয়া চক্রের মূল হোতাদের আদালতে বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার একাত্তরে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ উত্তম কুমার বড়–য়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব এর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেছেন, সম্প্রতি রিজেণ্ট হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাফল্যজনক অভিযানের পাশাপাশি করোনা সনাক্তকরণ সার্টিফিকেট জালিয়াতির অন্যতম হোতা জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডাঃ সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর গ্রেফতারের পর গোটা স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থার গলদ সম্পর্কে গণমাধ্যমে যেসব উদ্বেগজনক সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে তা আমাদের অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত করেছে।

তারা আরও বলেছেন, করোনা মহামারীজনিত মহাদুর্যোগকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এই অভূতপূর্ব মহামারী নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে প্রথম থেকে একের পর যে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু ভূয়া করোনা সনাক্তকরণ সার্টিফিকেট বিক্রি করে এই ধরনের দুর্বৃত্তরা দেশের জনস্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তা বিপণœ করার পাশাপাশি বহির্বিশ্বে করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের সাফল্যের ভাবমূর্তি মলিন করেছে।

ডা. সাবরিনাকে দ্রুত গ্রেফতার করা হলেও রিজেণ্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান ভয়ঙ্কর জালিয়াত সাহেদ এখনও গ্রেফতার হয়নি। তারা এই দুর্বৃত্তের দ্রুত গ্রেফতার দাবি জানান। ৫৬টি মামলার আসামী মেডিক্যাল মাফিয়া ডন সাহেদ প্রতারণার দায়ে এর আগেও গ্রেফতার হয়েছিল।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ঘনিষ্ঠ এই দুর্বৃত্ত কীভাবে কাদের মদদে আওয়ামী লীগে ঢুকেছে এবং প্রতারণার বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে এটাও তদন্তের আওতায় আসা উচিত। কারণ বিষয়টি বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য, জননিরাপত্তা, রফতানি বাণিজ্য, রেমিটেন্সসহ সব কিছুর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর শূন্য সহিষ্ণুতার অঙ্গীকার ও যাবতীয় অর্জন সব কিছু প্রশ্নবিদ্ধ হবে যদি সাহেদ সাবরিনাদের গডফাদাররা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকে বলে তারা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন।