আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগের কর্মী সম্মেলন

image

প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে সরকার প্রধান ও কেন্দ্রীয় নেতাদের আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগের নেতারা। সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে আওয়ামী লীগের কর্মী সম্মেলনে এই আহ্বান জানান বক্তারা। আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কিবরিয়া হায়দারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনের পরিচালনায় কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রফিক খান ও জসীমউদ্দীন আহমেদ, ডাবলিন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অলক সরকার প্রমুখ।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, প্রবাসে বসবাসকারী জনসাধারণের সমস্যা সমাধানে রাজনীতিবিদদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রবাসে আমরা পরাধীন অবস্থায় বসবাস করি। নিজেদের জীবিকার চাহিদায় আমরা প্রবাসে বসবাস করি। প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন। কিন্তু প্রবাসীদের উন্নয়নে সরকার ও দল তেমন ভূমিকা পালন করছে না। পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রে আজ বাংলাদেশিরা অবস্থান করছে। কিন্তু তাদের মধ্যে ইউনিটি না থাকায় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। তাই দেশের স্বার্থে প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে রাজনীতিবিদের কাজ করতে হবে। প্রবাসীদের জন্য আওয়ামী লীগ অনেক কাজ করছে। তাই আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে যারা আসবেন তাদের পারিবারিক পটভূমি বা সত্যিকারের আওয়ামী লীগ কিনা সেটাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান নান্না মিয়া, ফয়জুল্লাহ শিকদার, স্বপন দেওয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইনজামামুল হক জুয়েল, সাইফুর রহমান বাবলু, মিনহাজুল আমিন শাকিল, ডাবলিন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান লিঙ্কন, টিটু খন্দকার, জসিম পাটোয়ারী, সেলিম অরণ্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ খন্দকার, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মুন্না সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার হোসেন আলী, ওফেলি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান শুভ্র, লিমেরিক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতালেব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম তপন, গলওয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হক সাগর, সাধারণ সম্পাদক সামির জসিম, কিলকিনি থেকে আগত আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুর রহমান ও ডাবলিনের আওয়ামী লীগ নেতা জালাল আহমেদ ভূঁইয়া। সম্মেলনে পরবর্তী নেতৃত্বের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।