জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও সম্পদ বাজেয়াপ্তের দাবি

image

উপজেলা নির্বাচন বর্জনে, দল হিসেবে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য। মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ কমরেড নির্মল সেন মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের সমন্বয়ক ডা. এম.এ সামাদ এ দাবি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য’র শরীক দল বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সম্পাদক হারুন চৌধুরী, বাংলাদেশের মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম ও জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

ডা. এম.এ সামাদ বলেন, গত সংসদ নির্বাচনের পূর্বেও আমরা দলনিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি করেছিলাম। এমনকি গতবছর ৭ নভেম্বর আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সংলাপেও অংশগ্রহণ করেছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা গত ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু পুরো জাতি দেখলো বিগত নির্বাচনটি হয়েছে একটি প্রহসনমূলক নির্বাচন। নির্বাচনের নামে ভোটের আগের দিন রাতেই ভোট ডাকাতি হয়ে গিয়েছে। তাই এতেই প্রমাণিত হয়েছে এদেশে কোন দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। সে কারণে ণতান্ত্রিক বাম ঐক্য আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। তাই আমরা দাবি করছি, ভূয়া ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার অবিলম্বে পদত্যাগ করে দলনিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য দীর্ঘদিন যাবৎ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, দল হিসেবে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও তাদের স্থাবর-অস্থাবর সকল সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকুলে বাজেয়াপ্তের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির দাবিদার বর্তমান সরকার বিগত ১০ বছর যাবত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও অদ্যাবধি আমাদের দাবি মোতাবেক যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তাই আমরা সন্দিহান সরকার মুখে বললেও আদৌও কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন কি না ? তাই আমরা দাবি করছি, অবিলম্বে যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে দল হিসেবে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ ও তাদের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রাষ্ট্রীয় অনুকুলে বাজেয়াপ্ত করা হউক।