নিজের মিথ্যা বলার রেকর্ড নিজেই ভাঙছেন ফখরুল : তথ্যমন্ত্রী

image

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একের পর এক মিথ্য বলে নিজের ‘মিথ্যা বলার রেকর্ড’ নিজেই ভাঙছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। ১৭ আগস্ট শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে‘ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়–য়া, আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)’র সভাপতি প্রকৌশলী মো. আব্দুস সবুর, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, সাবেক মহাসচিব ওমর ফারুক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া ও কুদ্দুস আফ্রাদ, ডিইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খন্দকার মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল নিজেদের (বিএনপি নেতাদের) ব্যর্থতা ঢাকতে নিজের মিথ্যা বলার রেকর্ড নিজেই ভাঙছেন। তিনি যেভাবে মিথ্যা বলছেন তাতে কবরের মধ্যে ‘গোয়েবলস’ও এখন লজ্জা পাচ্ছেন। কারণ ফখরুল মিথ্য বলায় তাকেও ছাড়িয়ে গেছেন। ফখরুল বলেছেন, বাংলাদেশের পাট শিল্প ধ্বংসের জন্য নাকি আওয়ামী লীগ দায়ী। অথচ আদমজি জুট মিল বেগম খালেদা জিয়া বন্ধ করেছে। অন্য পাটকলগুলোও খালেদা জিয়া বন্ধ করেছিল। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেকগুলো পাটকল চালু করেছিল। এমনকি পাটকলের মালিকানার অংশ শ্রমিকদের হাতে দেয়া হয়েছিল। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ভুয়া জন্মদিনের কেক কাটার কারণে তারা জনগণের কাছে ঘৃণার পত্র হওয়ায় এবার ১৫ আগস্ট বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপি কেক কাটেনি। তারা ১৬ আগস্ট জন্মদিন পালন করেছে। তথ্যমন্ত্রী বক্তব্যে বিএনপি নেত্রীর জন্মের তারিখ ঠিক করতে দলের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান। তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে গত দশ বছরের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় পশু কোরবানি দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। সে তুলনায় ট্যানারির সংখ্যা বাড়েনি। এ সুযোগ নিয়ে একটি চক্র এবার চামড়ার দরপতনের খেলায় মেতেছে। সরকার তাদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেবে। এটা বিএনপি যেভাবে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে, সেটা ঠিক নয়। সরকার ইতোমধ্যে চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।