ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবসে সাংবাদিকদের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

image

বিশ্বের ক্রীড়া সাংবাদিকদের এক কাতারে নিয়ে আসার লক্ষ্যে ১৯৯৫ সাল থেকে ২ জুলাই ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (এআইপিএস) জন্মদিনকে স্মরণ করে সারা বিশ্বে পালিত হয় বিশ্বক্রীড়া সাংবাদিক দিবস। বছর ঘুরে সেই দিনটি এসেছে আজ। কিন্তু এবার করোনার কারণে এ দিনটিকে ঘিরে নেই কোন অনুষ্ঠান। তবে বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবস ২০২০ উপলক্ষে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সকল ক্রীড়া সাংবাদিকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

১৯২৪ সালের ২ জুলাই ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইপিএস) যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে ১৬৭টি দেশ এই সংগঠনের সদস্য।

বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবসের এক শুভেচ্ছা বার্তায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আধুনিক বিশ্বে ক্রীড়া সাংবাদিকতার ভূমিকা এবং গুরুত্ব অপরিসীম। ক্রীড়া সাংবাদিক এবং লেখকরা হলেন ক্রীড়াঙ্গনের চোখ, মানুষের শব্দ এবং কণ্ঠস্বর। ক্রীড়া সাংবাদিকতা আর ক্রীড়াঙ্গন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। একটি বাদ দিয়ে অন্যটি ভাবা যায় না। আমি বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবসে দেশের সকল ক্রীড়া সাংবাদিকদের আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। ক্রীড়া সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকরা দেশের খেলাকে আরো উঁচুতে নিতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলেই আমি বিশ্বাস করি।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘করোনা কালীন এ দুর্যোগের সময়েও ক্রীড়া সাংবাদিকরা তাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে জীবনের ঝুকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক মৃত্যু বরণ করেছেন। আমি তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। একই সাথে যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ আছেন আমি তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’

স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রীড়ার উন্নয়নেও ক্রীড়া সাংবাদিকদের ধারাবাহিক অনন্য অবদানের কথা স্মরণ করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকরা এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিচরণ করছেন দেশের বাইরেও। বর্হিবিশ্বে তারা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের দূত হিসেবে কাজ করছেন। আমি দেশের সকল ক্রীড়া সাংবাদিকের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি তাদের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।