‘মোটা’ তকমা পাওয়ার পর ম্যাচ চলাকালে নিয়মিত বমি করতেন ফ্লিনটফ

image

কোভিড-১৯ বা নভেল করোনাভাইরাসের কারণে চলা লকডাউনে ওজন বেড়েছে অনেকেরই। বাদ পড়েননি ক্রিকেটাররাও। সংযুক্ত আরব আমীরাতে চলমান আইপিএল মাঠে গড়ানোর সময়ে রোহিত শর্মা থেকে শুরু করে অনেক ক্রিকেটারেরই। বেড়ে যাওয়া শারীরিক ওজন নজরে পড়েছে।

শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে কথা বলেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অল রাউন্ডার এন্ড্রু ফ্লিনটফ। খেলোয়াড়ী জীবনে অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া করে অনেক বেশি মোটা হয়ে গিয়ে ছিলেন তিনি। দ্য সান পত্রিকায় প্রকাশিত এক রিপোর্টে ফ্লিনটফ বলেন, গায়ে ‘মোটা’ তকমাটা লেগে যাওয়ার পর তিনি ম্যাচ চলাকালে নিয়মিতই বমি করতেন। নিজের মোটা শরীর দেখে লজ্জা পাওয়ার কারণে নিজের খেলার রেকর্ডিংও দেখতেননা।

ফ্লিনটফ বলেন, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটা পূর্ণ করার পর মধ্যাহ্নভোজনের বিরতিতে সবার সঙ্গেই আহার করি, এরপরই পুরোটা বমি করে ফেলে দেই।

সাবেক ইংলিশ অল রাউন্ডার বলেন, বিশ্বের প্রায় প্রতিটা স্টেডিয়ামই আমার চেনা। ফলে বমি করার সুবিধাজনক জায়গাগুলো বের করা আমার জন্য সহজ ছিল। ড্রেসিংরুম থেকে টয়লেটগুলো দূরে থাকার কারণে কাজটা লর্ডসে বমি করার কাজটা ছিল আরও সহজ। তবে বিষয়টা কাউকে বুঝতে না দিয়ে গোপন রাখতাম। আমি চাইনি ড্রেসিংরুমে আমার সঙ্গে কারোর সম্পর্কের অবণতি হোক। কেন না, এই ঘটনা প্রকাশ পেলে প্রতিক্রিয়া কি হবে, তা ভালোভাবেই জানতাম।

ফাইভ লাইভস হেডলাইনকে ফ্লিনটফ বলেন, আমি কখনওই নিজের পুরানো খেলাগুলো দেখিনা। আমি বর্তমানের নিজের সঙ্গে অতীতের আমাকে মেলাতে পারি না। আমার মনে হয়, কোন না কোনভাবে নিজের চলার পথ আমিই পিচ্ছিল করেছি। একটা পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিলাম। আমার বাড়তি ওজন নিয়ে সংবাদপত্রে সমালোচনা হচ্ছিল। একমাত্র আমাকেই সবাই ‘মোটা’ ক্রিকেটার হিসেবে চিনতো। ফলে এ থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার রাস্তা বের করতে হয়েছে আমাকেই। কোন কিছু পান করার সময়ে এড়িয়ে যেতাম, যখন মনে করতাম খাওয়া উচিত নয়, তখন খাবার এড়িয়ে যেতাম। মূলত এভাবেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করি। ক্রিকেটনেক্সট।