করোনা প্রতিরোধে মন্ত্রিসভার নির্দেশনার বাস্তবায়ন চাই

ঘরের বাইরে মাস্কের ব্যবহার নিয়ে সরকারের প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনার অভাব নেই। মাস্ক না পরলে জেল-জরিমানার বিধানও রয়েছে। তারপরও সময় যত এগোচ্ছে, জনগণের মধ্যে মাস্ক ব্যবহারের উদাসীনতা তত বাড়ছে। মাস্ক ছাড়াই মানুষ ঘোরাফেরা ও দৈনন্দিন কাজ করছেন। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, রাস্তা-ঘাট, বাজার, শপিংমল এবং যানবাহনে মাস্ক ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এর প্রভাব পড়েনি কোথাও। সবকিছু চলছে আগের মতোই। এতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। জনস্বাস্থ্যবিদরা বলেছেন, মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। মাস্ক নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দরকার। এতেও পরিস্থিতির উন্নতি না হলে প্রশাসনের উচিত জেল-জরিমানা করা।

জনস্বাস্থ্যবিদদের উল্লেখিত বক্তব্যের সঙ্গে আমরাও একমত পোষণ করি। আমরাও মনে করি, করোনার দুর্যোগে মাস্ক পরিধান এবং কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। যদিও বাংলাদেশে প্রথম থেকেই এ নিয়ে গড়িমসি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হলেও সেটা মানা হয়নি। এসব নির্দেশনা মেনে চলার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়নি। যে যেভাবে পেরেছে জনসমাগম করেছে, ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়াই জনসমাগমে উপস্থিত হয়েছে, করমর্দন করেছে, এখন এই উদাসীনতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষকে দেখে মনেই হচ্ছে না যে, দেশে এখনও করোনা মহামারীর প্রকোপ রয়েছে, এখনও এ রোগে প্রতিদিন বহু মানুষ মারা যাচ্ছে। রাস্তাঘাটে অধিকাংশ মানুষের মুখেই মাস্ক দেখা যাচ্ছে না। মাস্ক ব্যবহারে তাদের উদ্বুদ্ধ করার ব্যাপারেও রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন পদক্ষেপ নেই। বিষয়টি সার্বিক অর্থেই দুর্ভাগ্যজনক।

করোনা মহামারীর বিষয়ে হেলাফেলা কিংবা গাফিলতির সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে ইউরোপে নতুন করে প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির মধ্যদিয়ে বিশ্বব্যাপী একদিনে রেকর্ডসংখ্যক নতুন করোনা রোগী বেড়েছে। করোনার সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় ঢেউ থেকে বাংলাদেশ রক্ষা পাবে-এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও করোনা দ্বিতীয়বার আসবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন শীতকালে তার ভয়াবহতা বাড়তে পারে। কাজেই আসন্ন শীতে করোনার বিপর্যয় রোধে এখন থেকেই সতর্ক হতে হবে।

মানুষের হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে সামনে থাকা মানুষের কাছে সরাসরি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। সঙ্গতকারণেই মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা উচিত। এটা মনে রাখতে হবে যে, মাস্ক পরলে করোনা সংক্রমণ থেকে যেমন বাঁচা সম্ভব, তেমনি অন্যকেও বাঁচানো সম্ভব। যারা মাস্ক না পরে বাইরে বের হবে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যদিও ভ্রাম্যমাণ আদালত ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় জনসাধারণকে জরিমানা করছেন। এ ব্যাপারে আরও কঠোর হওয়া উচিত।

বন্যহাতি নিধন বন্ধ করুন

কক্সবাজারে মানুষের নির্মমতায় একের পর এক মারা যাচ্ছে বন্যহাতি।

ধর্ষণ প্রতিরোধে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন চাই

ধর্ষণ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০০০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম দূর করুন

সরকারি কেনাকাটায় কিছুতেই দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না। সুযোগ পেলেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা দুর্নীতি করছেন পণ্য কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করুন

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুরে ফসলি জমিতে দুটি ইটভাটায় অবৈধভাবে ইট উৎপাদন ও বেঁচাকেনার কাজ চলছে।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গে

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নানা রকম চাপের কারণে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন পাহাড়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকরা নানা রকম অপরাধে জড়াচ্ছে।

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ সুরাহা করুন

এক শ্রেণীর মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র রোগীকে মাদকমুক্ত করার পরিবর্তে উল্টো মাদক ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে

অনিয়মের বেসরকারি হাসপাতাল পুষছেন সরকারি ডাক্তাররা। সরকারি চাকরি করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কোন না কোন সরকারি হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজে।

অভিনন্দন সাদাত

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের কিশোর সাদাত রহমান। সাইবার বুলিং ও সাইবার অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত এ পুরস্কার জিতে নেয় নড়াইলের ১৭ বছরের এই কিশোর।