গ্যাস বিতরণে কোম্পানিগুলোর যথেচ্ছাচার বন্ধ করতে হবে

গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোর যথেচ্ছাচারের কারণে গ্রাহকরা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে। এই কোম্পানিগুলো একদিকে যেমন পাইপলাইনে কম গ্যাস সরবরাহ করে গ্রাহকদের কাছ থেকে বেশি বিল নিচ্ছে, তেমনি গ্যাসের ব্যয় এক দেশে তিন রকম বানিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। ‘যতটুকু ব্যবহার ততটুকু বিল’- এটা গ্রাহকের ন্যায্য অধিকার হলেও দেশে আবাসিক খাতে পাইপ লাইনের প্রায় ৪০ লাখ গ্রাহক মাসে যে পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করছেন, তার চেয়ে অনেক বেশি বিল তাদের দিতে হচ্ছে। গত বুধবার প্রকাশিত সংবাদের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রতি মাসে একজন গ্রাহক গড়ে প্রায় ৩শ’ টাকা বেশি বিল দিচ্ছেন অর্থাৎ মাসে ১২০ কোটি, বছরে এক হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা বেশি বিল আদায় করা হচ্ছে। অন্যদিকে প্রিপেইড মিটার সংযোগে ধীরগতির কারণে, গ্যাস প্রাপ্তির ক্ষেত্রে তিন ধরনের ব্যয় কৌশল নির্ধারিত হয়েছে, যা গ্রাহকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করছে। আর এসব অনিয়মের মাধ্যমে অর্জিত অতিরিক্ত অর্থ জমা হচ্ছে তিতাস গ্যাস কোম্পানিসহ গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত ৬টি কোম্পানির কোষাগারে।

সরকারি কোম্পানির পাইপলাইনে গ্যাস ব্যবহারকারীদের বাসায় মিটার বসানো কঠিন কোন কাজ নয়। কিন্তু ২০১৫ সালে উদ্যোগ নিয়ে মাত্র দুই লাখ গ্রাহককে মিটার দিতে পেরেছে তিতাস। অভিযোগ রয়েছে, মিটার বসালে বিপুল আয় হারাবে তিতাস। এ কারণে মিটার বসাতে অনীহা তাদের। সরকার প্রিপেইড মিটারের একটি মান ঠিক করে দিলে গ্রাহকেরা সেটা কিনে নিতে পারেন। বিদ্যুতের মিটারের ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি রয়েছে। গ্রাহককে বাজার থেকে কেনার সুযোগ দিলে এক বছরের মধ্যে বেশির ভাগ বাসায় মিটার বসে যাবে। কিন্তু সেটাও করা হচ্ছে না। অর্থাৎ সিস্টেম লস জিইয়ে রাখার পেছনে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোর যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে এবং তাদের কারণেই গ্যাস খাতের অব্যবস্থাপনা দূর করা যাচ্ছে না।

গ্যাস কোম্পানিগুলোর এমন যথেচ্ছাচার কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গ্যাসের দাম নিয়ে বৈষম্য পৃথিবীর কোন দেশে নেই। এই ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ঠকাচ্ছে গ্যাস কোম্পানিগুলো, দুর্নীতি করে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। এটা একটা অনিয়ম শুধু নয়, একটা অপরাধ। দুঃখজনক হলো, বাংলাদেশে সেটাই নিয়মে পরিণত হয়েছে। অবিলম্বে এসব অনিয়ম দূর করে গ্যাস খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসন ফিরিয়ে আনতে হবে। আবাসিক খাতের সব গ্যাস সংযোগ প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনতে হবে। ফলে বিতরণ কোম্পানিগুলোর সব ফাঁকফোকর বন্ধ হবে। এতে যে পরিমাণ গ্যাস সাশ্রয় হবে তাতে বাসাবাড়িতে নুতন সংযোগ চালু করায় ক্ষেত্রে কোন সংকট থাকবে না। সেইসঙ্গে দেখতে হবে এলপিজি ন্যায্য দামে বিক্রি হচ্ছে কি না। বৈষম্য রোধে প্রয়োজনে ভর্তুকি দিতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবেশবান্ধব জ্বালানি দিতে ভর্তুকি মূল্যে ঘরে ঘরে এলপিজি দেয়া হচ্ছে। এদেশেও একই নীতি অনুসরণ করা যেতে পারে।

তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

চট্টগ্রাম মহানগরীর দোকানগুলোতে ভরে গেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য।

রেলের তেল চুরি বন্ধ করুন

কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না রেলের তেল চুরি। একটি জাতীয় দৈনিকের খবরে জানা যায়, রেলে বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার তেল

করোনা প্রতিরোধে মন্ত্রিসভার নির্দেশনার বাস্তবায়ন চাই

ঘরের বাইরে মাস্কের ব্যবহার নিয়ে সরকারের প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনার অভাব নেই। মাস্ক না পরলে জেল-জরিমানার বিধানও রয়েছে। তারপরও

বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা

আজ বিজয়া দশমী। শারদীয় দুর্গাপূজা ও আনন্দ উৎসবের আজ সমাপনী দিবস।

শিক্ষক প্রশিক্ষণে যথাযথ গুরুত্ব দিন

শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের গুণগতমান অনেকাংশেই নির্ভর করে শিক্ষকের যোগ্যতার ওপর। এজন্য বেশির ভাগ দেশেই শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের পরপরই বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হয় শিক্ষকদের।

চীনের প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে

নিজ দেশ মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে সন্দেহ-সংশয় দিন দিন গভীর হচ্ছে।

সালতা নদী খনন প্রকল্পে দুর্নীতির দায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সালতা নদী খনন প্রকল্পে ঠিকদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম নদী, খননে ধীরগতি ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সড়ক কবে নিরাপদ হবে

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে চতুর্থবারের মতো পালিত হলো জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস।

সব থানায় অনলাইনে জিডির সুযোগ রাখতে হবে

করোনাকালে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা দিতে যেখানে অনলাইনকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে, ডিএমপি সেখানে ব্যতিক্রম।